আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের বড়িয়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পুকুরে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে মুসলিম পরিবারের বাড়িতে ঢুকে মারপিট, ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় বিশ হাজার টাকা ক্ষয়ক্ষতি ও নারীকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে।
এ ব্যাপারে বুড়িয়া গ্রামের মৃত করিম গাজীর মেয়ে মোছাঃ শাহানারা খাতুন (৪৮) ৮ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
সরেজমিনে ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বুড়য়া গ্রামের মৃত বিমলের ছেলে বিএনপি নেতা পরিচয়দানকারী প্রবীর কুমার (৩৫), মৃত বিমলের স্ত্রী কল্যাণী রানী (৫২), মৃত সুখচান মন্ডল ছেলে কিনু মন্ডল (৫০), বিষু মন্ডলের স্ত্রী আরতি মন্ডল (৪২) ও ছেলে কৃষ্ণঃ মন্ডল (২৫), প্রদীপ মন্ডলের স্ত্রী সম্পা মন্ডল (৪৫), প্রশান্ত মন্ডলের স্ত্রী মাধু মন্ডল, রবিন মন্ডলের ছেলে অচিন্ত মন্ডল (২৫) ভিটা জমি নিয়ে শাহানারা খাতুনের পরিবারের লোকজনের সাথে দীর্ঘদিন হতে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী ও ক্ষয়ক্ষতি করে আসছিল। প্রায় সময় অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করাসহ মারধর করার জন্য উদ্যত হয় এবং বিভিন্ন ধরনের জীবননাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শ করে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় (২৩ জুন) মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে বসত বাড়ির পুকুর থেকে মাটি কাটিছিলেন। বিবাদীরা বাধা প্রদান করে। সেক্ষেত্রে মৌখিক ভাবে প্রতিবাদ করায় বিবাদীরা তাকে মারধর করার জন্য তাড়া করিলে শাহানারা দৌড়ে বসত ঘরের মধ্য গিয়ে আশ্রয় নেয়।
বিবাদীরা বারান্দার লোহার গেট ভেঙে ঘরের মধ্য প্রবেশ করে শাহানারাকে সহ তার ফুফু জামেনা খাতুন (৯৫)কে এলোপাতাড়ি ভাবে কিলঘুষি লাথি মেরে জখম করে।
এসময় ঘরের মধ্য থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করে প্রায় ২০ হাজার টাকা ক্ষতি সাধন করে। এছাড়া তার শ্লীলতাহানী ঘটায়। খবর পেয়ে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে বিবাদীরা তাকে বিভিন্ন ধরনের খুন জখমের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলে যায়।
এব্যাপারে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ ও জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী শাহানারা খাতুন ও তার পরিবার।
সম্পাদক : রেহেনা মেহেদী
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। Dainik Aporadh Barta