গত ১১ এপ্রিল সমাজের আলো ফেসবুক পেইজে “সাতক্ষীরার পলাশপোলে পরকীয়ায় বাঁধা দেয়ায় গৃহবধূ ও বোনের উপরও হামলা, থানায় অভিযোগ” শিরোনামে যে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে তা সত্য নয়। সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক।
প্রকৃত ঘটনা হল, কয়েক বছর পূর্বে আমার ছেলে মাহফুজুর রহমানের সাথে মৃত নজিবর রহমানের মেয়ে হেনা পারভীনের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় মাহফুজের পিতা ১ জোড়া ৭ আনা ওজনের কানের দুল, ১টা চার আনা ওজনের আংটি, ৩ ভরি ওজনের ১ জোড়া নূপুর দেওয়া হয়। বিয়ের পর থেকে তারা নিজেরাই ঘর সংসার করতে থাকে। পরবর্তীতে মাহফুজ সংসারের উন্নতির জন্য প্রবাসে চলে যায়। কিন্তু হেনার বিভিন্ন অনৈতিক কাজের জন্য মাহফুজ প্রতিবাদ করলে তাদেও মধ্যে ঝগড়া বিবাদের সৃষ্টি হয় (এর আগে হেনা পরাভীন আশাশুনির শ্রীউলা এলাকায় আরো একটি বিয়ে করলে সেখানেও সে সংসার না করে তাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে চলে আসে)। এঘটনায় হেনার পরিবার লিগ্যাল এইড-এ একটি অভিযোগ করলে সুষ্টু সমাধান করে দেওয়া হয়। এরই মধ্যে গত ১০ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে এসে হেনা ও তার আরো দুই বোন শারমিন শীলা, মুন্নি খাতুন নিয়ে মাহফুজের পিতা-মাতার কাছে তাদের বাড়িতে আসে। এসময় হেনা সংসার করবে না ও তার দেনমোহরসহ মোট ৩লক্ষ টাকা দাবী করে। একপর্যায়ে এবিষয়কে কেন্দ্র করে তর্কতর্কি শুরু হয় ও মাহফুজকে ধরে টেনে বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করে মারধোর ও ঘরের ড্রেসিং টেবিলের আয়না ভাঙ্চুর করে ৮আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। এসব ঘটনায় সদর থানায় একটি অভিযোগ জমা দেওয়া আছে। কিন্তু তারা আমাদেরকে ফাঁসাতে সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা, নিউজ পোর্টাল ও ফেসবুক পেজে প্রকাশ করে হয়রানি করছে। আমি ওই প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
জুম্মান সরদার
পিতা- মৃত ছোবারেক সরদার
পলাশপোল, সাতক্ষীরা।
সম্পাদক : রেহেনা মেহেদী
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। Dainik Aporadh Barta