স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৬০ বছর বয়সে মারা যান আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা। এর কিছু দিন আগে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল।
ম্যারাডোনার মৃত্যুতে চিকিৎসকদের গাফিলতি ছিল কিনা, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন আদালত। অভিযুক্ত সাত চিকিৎসক ও নার্সের বিরুদ্ধে মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলছে বুয়েনস এইরেসের একটি আদালতে।
গত পরশু মামলার শুনানিতে কোকেন ও অ্যালকোহলে আসক্তির পাশাপাশি ম্যারাডোনার বড় দুটি মানসিক সমস্যার তথ্য প্রথমবার প্রকাশ্যে এসেছে। ম্যারাডোনার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মনোবিদ কার্লোস দিয়াজ আদালতকে জানিয়েছেন, ’৮৬ বিশ্বকাপজয়ী মহানায়ক বাইপোলার ডিজঅর্ডার ও নার্সিসিজমে ভুগছিলেন।
দিয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ম্যারাডোনার চিকিৎসায় ভুল অসুধ প্রয়োগ করেছেন। অভিযোগ অস্বীকার করে দিয়াজ জানান, ‘আসক্তির পাশাপাশি দিয়েগো বাইপোলার ডিজঅর্ডার ও নার্সিসিজমে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি ফুটবল জাদু দেখিয়ে একটি দেশকে হাঁটু গেঁড়ে বসিয়ে দিতে পারতেন; কিন্তু তাকে মাটিতে নামিয়ে আনার জন্য এক গ্লাস অ্যালকোহলই যথেষ্ট ছিল।’
বাইপোলার ডিজঅর্ডার হলো আবেগ ও মানসিক অবস্থার বিপরীতমুখী পরিবর্তন। আর নার্সিসিজম হচ্ছে সব সময় নিজের প্রতি মুগ্ধ থাকার প্রবণতা। দিয়াজের দাবি, অ্যালকোহল ছেড়ে ম্যারাডোনা নিজের জীবনযাত্রা পুরো বদলে ফেলতে চেয়েছিলেন। মৃত্যুর আগে টানা ২৩ দিন কোনো মাদক গ্রহণ করেননি মহানায়ক।
সম্পাদক : রেহেনা মেহেদী
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। Dainik Aporadh Barta