নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা শহরের দক্ষিণ পলাশপোল এলাকায় আদালতে মামলা চলমান থাকা বিরোধ পূর্ণ জমিতে সাইনবোর্ড টানানো এবং দীর্ঘদিন যাবত বসবাসকারীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরা শহরের দক্ষিণ পলাশপোল এলাকার মৃত আনারুল ইসলামের ছেলে সিরাজুল ইসলাম, মৃত আহম্মাদ আলীর ছেলে আবু বক্কার মাস্টার ও বিনেরপোতা কৈখালী এলাকার আহম্মাদ আলীর ছেলে সাদেক আলীর বিরুদ্ধে।
ওই ঘটনায় দক্ষিণ পলাশপোল গ্রামের লিয়াকাত আলীর ছেলে শাহানুজ্জামান বাদি হয়ে ওই ৩ জনকে অভিযুক্ত করে সাতক্ষীরা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সরেজমিনে গেলে ভূক্তভূগী শাহানুজ্জামান বলেন, ১৯৮০ সালের ২১ মে পলাশপোল মৌজার এস.এ ২৬৩১, ২৫৫৯ ২/৫ নং খারিজ খতিয়ান, এস.এ দাগ ৬১২১, বি.আর.এস খতিয়ান ৬৩২৭, বি.আর.এস ১৪৪৮৫ নং দাগে ৭.৯ শতক জমি পলাশপোল এলাকার শেখ আহম্মাদ আলীর স্ত্রী ছবিরন নেছার কাছ থেকে আমার মা শহর বানু কোবলা দলিল মুলে ৭.৯ শতক জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর থেকে আমরা সেখানে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করি এবং ২০১৭ সাল পর্যন্ত আমরা খাজনা পরিশোধ করি।
২০১৯ সালে জানতে পারলাম ওই জমি ছবিরন নেছার ছেলে সাদেক আলীর নামে রেকর্ড হয়ে গেছে। অথচ জমি বিক্রয়ের সময় মায়ের ব কলম করেছিলেন এই সাদেক আলী। এরপর আমরা ২০২৩ সাল পর্যন্ত রেকর্ড সংশোধনের জন্য সেটেলমেন্টে হাটাহাটি করি। তবে কোন সমাধান পাইনি। এরমধ্যে ২০২৩ সালে গেজেট প্রকাশ হলে ২০২৪ সালে আমরা ট্রাইব্যুনালে মামলা করি। মামলা নং ৮৬২/২৪।
মামলা চলমান থাকাবস্থায় আমাদের ওই জমি অভিযুক্তরা দখলের চেষ্টা করলে আমি গত ৩ মে আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করি। মামলার খবর পেয়ে ওই দিনই অভিযুক্তরা আমাদের বাড়ির উপর এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং ভাড়াটে ক্যাডার দ্বারা গেটের উপরে সাইনবোর্ড টানিয়ে যান। তারা আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছেন। এমনকি আমাদের জায়গা জমি জবর দখল করে নেবে, ঘর বাড়ি ভাংচুর করবে, আমাদের জায়গা জমি জবর দখল করবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যান। আমাদের বাড়ির ভাড়াটিয়াদেরকেও হুমকি দিয়ে ঘর ছাড়তে বাধ্য করেন। বর্তমানে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। এ ব্যাপারে আমি সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ ব্যাপারে জানার জন্য অভিযুক্তদের ফোন নম্বরে কল দিলেও তারা রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
সাতক্ষীরা থানার এসআই আনিসুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, 'অভিযোগের তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সম্পাদক : রেহেনা মেহেদী
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। Dainik Aporadh Barta