• আজ- বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন

ইরানের হামলায় সৌদিতে বন্ধ তেল উৎপাদন

রিপোর্টার: / ২০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দফায় দফায় ইরানের তেল ও গ্যাস অবকাঠামোতে হামলা করছে। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবকে সহায়তাকারী উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করছে তেহরান।

আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটির পূর্বাঞ্চলে তারা সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে।

পূর্বাঞ্চলটি সৌদির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ তেল স্থাপনা এখানে অবস্থিত। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের পর সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ এই তেলক্ষেত্রগুলোর আশপাশে পড়েছে।

 এতে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরই পূর্বাঞ্চলে সতর্ক সংকেত জারি হওয়ায় কিং ফাহাদ সেতু কর্তৃপক্ষ সেতুতে চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়।

সেতুটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সৌদিকে বাহরাইনের সঙ্গে সংযুক্ত করে।

কয়েক দিন আগে ইরানে বি-১ সেতুতে হামলার পর ইরানি গণমাধ্যমে একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়, যেখানে এ অঞ্চলের ১০টি সেতুকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

সেই তালিকায় কিং ফাহাদ সেতুর নামও ছিল। এছাড়া কুয়েতে অবস্থিত শেখ জাবের কজওয়ে—মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘতম সেতুগুলোর একটি—সেটিও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এই ঘটনাগুলো দেখায়, এই যুদ্ধে ‘যেমন কর্ম তেমন ফল’ ধরনের পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে।

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানে হামলা চালায়, তখন ইরান পাল্টা হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে আঘাত হানে।

এই সংঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির বোঝা বহন করছে উপসাগরীয় দেশগুলো।

আজ (৭ এপ্রিল) সকালেই বাহরাইনে একাধিকবার সতর্ক সংকেত বাজতে দেখা গেছে এবং কয়েক ঘণ্টা আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতেও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানায়, মাত্র কয়েক ঘণ্টায় অন্তত ১৮ টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। তবে সব ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ