• আজ- সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ কালিগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ১২ ‘শ’ লিটার ডিজেল জব্দ: জরিমানা চুয়াডাঙ্গায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা: সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা সাতক্ষীরায় ৪৭ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের সমাপনী সাতক্ষীরায় প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলী: সাতক্ষীরা বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষক আশা ভোঁসলে মারা গেছেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়: প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন

যুক্তরাষ্ট্র- ইরান আলোচনা ভেস্তে গেল, ট্রাম্পের সামনে যে ৩ কঠিন পথ খোলা

রিপোর্টার: / ৩০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসলামাবাদে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনা হয়েছে। তবে ইরান আর যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষই কোনো চুক্তিতে যাওয়ার বিষয়ে সম্মত হতে পারেনি। যার ফলে কোনো চুক্তি না করেই ইসলামাবাদ ছেড়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

এই আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে এখন তিনটি কঠিন পথ খোলা আছে। প্রথমত, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধ আবার শুরু করা, যা ইতোমধ্যে আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে। তৃতীয়ত, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘ লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়া।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, পরবর্তী পদক্ষেপ ঘোষণা করবেন ট্রাম্প নিজে। তিনি সাপ্তাহিক ছুটিতে ফ্লোরিডায় গেছেন। ভ্যান্স সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমরা আমাদের রেড লাইন স্পষ্ট করে দিয়েছি। কোন বিষয়ে ছাড় দিতে রাজি আছি সেটাও বলেছি। তারা আমাদের শর্ত মানতে রাজি হয়নি।’

বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ভাষায়, ইরানের উচিত সহজভাবে ‘আত্মসমর্পণ’ করা। কিন্তু অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে ভিন্ন কথা। ওবামা আমলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে শেষ বড় চুক্তি হতে দুই বছর লেগেছিল। সেই চুক্তিতেও ইরানকে অল্প পরিমাণ পারমাণবিক মজুদ রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

মূল সমস্যা হলো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ। ইরান বলছে, পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির স্বাক্ষরকারী হিসেবে নিজের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা তাদের অধিকার। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এটাই প্রমাণ করে ইরান সবসময় পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ রাখতে চায়। ৪০ দিনের যুদ্ধ এই অবস্থানকে নরম করেনি, বরং আরও শক্ত করেছে।

যুদ্ধ আবার শুরুর হুমকি ট্রাম্পের হাতে সবচেয়ে বড় চাপ তৈরির হাতিয়ার। যুদ্ধবিরতি শেষ হচ্ছে ২১ এপ্রিল। কিন্তু এই পথে রাজনৈতিক মূল্য অনেক বেশি। বিশ্বের মোট তেলের ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়। যুদ্ধ আবারও শুরু হলে বাজার পড়বে, সংকট বাড়বে, মূল্যস্ফীতি আরও চাপে পড়বে, যা এখনই ৩.৩ শতাংশে আছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমাদের প্রিয়জনদের ক্ষতি আমাদের জাতির স্বার্থ ও অধিকার রক্ষার সংকল্পকে আগের চেয়ে আরও দৃঢ় করেছে।’

শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষই মনে করছে প্রথম দফায় তারা জিতেছে। সে কারণে কেউই এখন সমঝোতার মেজাজে নেই।

সূত্র- নিউইয়র্ক টাইমস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ