• আজ- রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে মব সৃষ্টি করে শামীম হত্যা: প্রধান আসামি গ্রেফতার তালায় মাছ চুরি সন্দেহে হাত-পা ভেঙে, কুপিয়ে ঘের ব্যবসায়ীকে হত্যা দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে মব সৃষ্টি করে শামীম হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা: গ্রেফতার- ২ দেবহাটায় ফেসবুকে প্রকাশ্যে উস্কানি দিয়ে মব সৃষ্টি করে হত্যাকাণ্ড: নীরব ভূমিকায় পুলিশ সাতক্ষীরায় আলোচিত জাকারিয়া হত্যা: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে কথিত তৌহিদী জনতার নেতার ইন্ধনে মব সৃষ্টি: যুবকের মৃত্যু সাতক্ষীরায় ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু জিয়া বাহিনীর হাতে ২ জেলে অপহরণ: সুন্দরবনে আবারো মুক্তিপন দাবি সাবেক এমপি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম এড. এন্তাজ আলীর স্ত্রী ও অপরাধ বার্তার প্রকাশক সুজয়ের মায়ের মৃত্যু, দাফন সম্পন্ন: শোক জ্ঞাপন গুড় পুকুর মেলা থেকে প্রতিদিন ১৩ লাখ টাকা আদায়: নীরব প্রশাসন

লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ অমুক্তিযোদ্ধা বাদ

রিপোর্টার: / ১০৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে মোট ৬ হাজার ৪৭৬ জনের নাম বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

প্রশ্নোত্তর পর্বে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম সভাপতিত্ব করেন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জানান, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নয় এমন ব্যক্তিদের শনাক্ত করার কাজ একটি চলমান প্রক্রিয়া। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, অনেক অমুক্তিযোদ্ধা ভুল তথ্য দিয়ে ভারতের তালিকায় নাম লিখিয়েছিলেন, এখন যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জানান, গত ২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে এ পর্যন্ত মোট ৮৪২টি অমুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে নিবিড় তদন্ত শেষে ৪৮১ জনের গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে নাম বাতিলের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর জামুকার একটি উপকমিটি বিস্তারিত তদন্ত ও শুনানি পরিচালনা করে। অভিযুক্ত ব্যক্তি অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে তার সনদ ও সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করা হয়।

আহমেদ আজম খান আরও জানান, শুধু নির্দিষ্ট কোনো এলাকা নয়, দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অমুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে একই পদ্ধতিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তালিকা পুরোপুরি স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ