
শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক মাদরাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে। ওই ছাত্রী বর্তমানে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী শিশুর জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
থানা সূত্র ও ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওই ছাত্রীর বাড়ি যশোর জেলার শার্শা উপজেলার ডিহিপাড়া গ্রামে। তার মা সৌদি আরবে প্রবাসী। লেখাপড়ার সুবাদে সে শ্যামনগর উপজেলার গুমানতলী গ্রামে নানার বাড়িতে থেকে স্থানীয় গুমানতলী কামিল মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই মাদরাসার সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক নূর আলম প্রাইভেট পড়ানোর জন্য ছাত্রীর নানার বাড়িতে যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে জানা গেছে। পরে শারীরিক সম্পর্কের কারণে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মাদরাসার অভিভাবকসহ স্থানীয়রা।
অভিযুক্ত শিক্ষক নূর আলম গুমানতলী গ্রামের সামছুর রহমান সরদারের ছেলে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।