• আজ- শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরায় জামায়াত নেতার ছেলের তিন বছর ঘনিষ্ট প্রেমের সম্পর্ক: আজ বিয়ের পিড়িতে বসছেন অন্য মেয়ের সাথে আশাশুনিতে শিক্ষিকার যোগদানের সাড়ে ৩ বছরে অধিকাংশ সময় ছুটি আর অনুপস্থিত: বেতন তুলেছেন ষোলআনা কালিগঞ্জে ইনকিলাবের ৪০তম বর্ষপূর্তি উৎযাপন জমিজমা বিরোধে হামলা: ভয়ভীতি ও মামলার অভিযোগ সাতক্ষীরায় হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে আদালত চত্বরে হামলা খুলনায় গৃহকর্মীকে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা, পুলিশ দম্পতি গ্রেপ্তার জীবিত বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত এমপি ভোজিনিয়ার খেলা এবার সরাসরি দেখবেন তার মা খালি পায়ে খেলা সেই ছেলেই এখন মেক্সিকোর বিশ্বকাপ নায়ক যেসব দেশে আটকে আছে ইরানের ১০ হাজার কোটি ডলার

সাতক্ষীরার ব্রহ্মরাজপুর সাহাপাড়ায় অসামাজিক কার্যকলাপে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

রিপোর্টার: / ৩৩১৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর সাহাপাড়ায় শহিদুল ইসলামের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার চিহ্নিত ভাসমান পতিতাদের নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, সাহাপাড়ার শহিদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী পারুল বেগম এলাকার কিছু চিহ্নিত ভাসমান পতিতা ও সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে পতিতাদের সংগ্রহ করে প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দেহব্যবসা চালিয়ে আসছে। স্থানীয় সবাইকে ম্যানেজকে করে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্য দেহব্যবসা চালিয়ে আসছে বলে স্থানীয়রা জানান। এনিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ওপেন সিক্রেট ভাবে দেহব্যবসা চলার কারণে এলাকার যুব সমাজ আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। অভিভাবকরা শংকিত হয়ে পড়েছে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভাসমান যৌনকর্মী জানান- আমি মাঝে মাঝে সকালে আসি এবং সন্ধ্যা বেলায় চলে যাই। ১৫/২০ টা কাজ করি। খরিদ্দারদের নিকট থেকে পারুল ভাবী ৫০০ টাকা করে নেয় আমাদের দেয় ২০০টাকা। অভাবের তাড়নায় এই কাজ করি। তবে সবদিন আসি না। যেদিন ফোন করে আসতে বলে সেদিন আসি। এলাকার মেয়েরা বেশি কাজ করে। গ্রামের মধ্যে নিরিবিলি পরিবেশে ছোট ছোট ঝুঁপড়ি ঘরে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্য দেহব্যবসা করার কারণে এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে উঠেছে।

 

স্থানীয় গোপালসহ একাধিক ব্যক্তি এ প্রতিনিধিকে জানান- পারুল দীর্ঘদিন ধরে দেহব্যবসা করায় এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। আমরা বিভিন্ন ভাবে বাঁধা দিয়েও বন্ধ করতে পারছি না। এলাকার কিছু টাউট, দালাল, বাটপার ও পাতিনেতারা তাদের শেল্টার দেওয়ার কারণে তাঁরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

 

সচেতন এলাকাবাসী অবিলম্বে সরেজমিনে তদন্ত করে দেহব্যবসা বন্ধের জোর দাবি জানিয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ