• আজ- শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
‘কোনোভাবেই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করবে না ইরান’ শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: জয়সোয়াল বস্তুনিষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের কারনেই দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম সময় টিভি- সাতক্ষীরায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা স্বামীর কাছ থেকে গৃহবধূকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণ, যেন মধ্যযুগীয় বর্বরতার প্রতিচ্ছবি চিন্ময়ের মুক্তির বিষয়ে যা বললেন সংস্কৃতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রশ্নে যা বললেন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ অলআউট, ২৬ রানে জিতল নিউজিল্যান্ড ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে শান্তি আলোচনায় বসানোর নেপথ্যে কে, জানা গেল হরমুজ প্রণালি খোলার লক্ষ্যে প্যারিস সম্মেলনে পৌঁছালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

ইছামতি নদীতে মিলনমেলা ছাড়াই প্রতিমা বিসর্জন

রিপোর্টার: / ২৪২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার ইছামতি নদীতে এবার অনুষ্ঠিত হলো শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন। তবে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ভেঙে এ বছর আর হয়নি বাংলাদেশ-ভারতের মিলনমেলা।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকালে যাত্রামঙ্গল শেষে বিকেল ৫টায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন করেন। নদীর বাংলাদেশের দেবহাটা টাউন শ্রীপুর ও ভারতের টাকি পৌরসভার ঘাটে একসঙ্গে বিসর্জন অনুষ্ঠিত হলেও মিলনমেলার প্রাণচাঞ্চল্য এবার অনুপস্থিত ছিল।

বিগত কয়েক দশক ধরে এই ইছামতি নদীজুড়ে দুই বাংলার হাজারো মানুষের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। নদীপাড়ে উভয় দেশের মানুষ ভিড় জমাত, নৌযানে তৈরি হতো উৎসবের আমেজ। তবে সাম্প্রতিক বছর গুলোতে মিলনমেলা সীমিত হয়ে পড়লেও ভারতীয় পাড়ে নৌযান ঘুরে বেড়ানোর মাধ্যমে পরিবেশ কিছুটা হলেও উৎসবমুখর থাকত। কিন্তু এবছর ভিন্ন আঙ্গিকে কড়া নজরদারির মধ্যেই প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়।

বিএসএফের সঙ্গে বিজিবির পতাকা বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মিলনমেলা ছাড়াই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। নদীতে কোনো নৌযান চলাচল ছিল সীমিত পরিসরে। তবে দুই তীরজুড়ে ছিল হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর স্পিডবোট ও কড়া নিরাপত্তায় পুরো এলাকা ছিল নজরদারির আওতায়।

বিসর্জন উপলক্ষে বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক, বিজিবি, পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ এবং জনপ্রতিনিধিরা।

স্থানীয় দর্শনার্থীদের অনেকেই আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আমরা চাই পূর্বের ন্যায় দুই বাংলার মিলনমেলার মাধ্যমে প্রতিমা বিসর্জন হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ