
নিজস্ব প্রতিনিধি: আজ ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। ইতোমধ্যে নির্বাচন নিয়ে মানুষের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনার হাওয়া বইছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা ছেড়ে ঘরে ফিরেছেন লাখো মানুষ।
একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আশা করছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) আরো আশা করছে এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ হতে পারে। তবে উৎসবের আমেজ থাকলেও কিছু কিছু এলাকায় সহিংসতার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না ইসি। এদিকে মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শেষ হয়েছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর এক ভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশে প্রথমবারের মতো একই দিনে ব্যালটের মাধ্যমে সংসদ সদস্য নির্বাচন ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের পক্ষে-বিপক্ষে রায় দেবেন ভোটাররা। আজ সকাল সাড়ে ৭টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ২০জন প্রার্থী লড়ছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছিল ২৩ জন জন প্রার্থীর। এর মধ্যে তিনজন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় চূড়ান্তভাবে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২০ জনে।
সূত্রমতে, সাতক্ষীরা-১ আসনে রয়েছেন ৫ জন প্রার্থী। এরমধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ প্রতীক), জামায়াতের মো. ইজ্জত উল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক), ইসলামি আন্দোলনের শেখ মো. রেজাউল ইসলাম (হাতপাখা প্রতীক), জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল প্রতীক) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের ইয়ারুল ইসলাম (ডাব প্রতীক)।
সাতক্ষীরা-২ আসনে রয়েছেন ৫ জন প্রার্থী। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী আব্দুর রউফ (ধানের শীষ প্রতীক), জামায়াতে ইসলামীর মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক), জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামান আশু (লাঙ্গল প্রতীক), ইসলামী আন্দোলনের মুফতী রবিউল ইসলাম (হাতপাখা প্রতীক) এবং বাংলাদেশ জাসদের ইদ্রিস আলী (মোটরগাড়ি প্রতীক) নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
সাতক্ষীরা-৩ আসনে লড়ছেন ৬ জন প্রার্থী। এরমধ্যে বিএনপির প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর হাফেজ রবিউল বাশার (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক), জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন (লাঙ্গল প্রতীক), ইসলামী আন্দোলনের ওয়েজ কুরনী (হাতপাখা প্রতীক) নিয়ে রয়েছেন নির্বাচনী মাঠে। এছাড়া আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শহিদুল আলম (ফুটবল প্রতীক) এবং বিএমজেপির রুবেল হোসেন (রকেট প্রতীক) নিয়ে অংশ নিয়েছেন এ নির্বাচনে।
সাতক্ষীরা-৪ আসনে ৪জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতের ইসলামীর জিএম নজরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ (লাঙ্গল) এবং ইসলামী আন্দোলনের মোস্তফা আল মামুন (হাতপাখা) এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে রয়েছেন।
সাতক্ষীরায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেলে জেলা শহরের খুলনা রোড মোড়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আক্তার।
ওই ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ৬০৯টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে এরই মধ্যে ভোট কক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে এবং কেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সীমানা নির্ধারণের (চৌহর্দী) কাজ শেষ হয়েছে। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ৬০৯টি কেন্দ্রের প্রতিটিতেই সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আফরোজা আক্তার বলেন, “মঙ্গলবার থেকে প্রার্থীদের প্রচারণা শেষ হয়েছে। এখন আমাদের লক্ষ্য একটি উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের বাহিনীগুলোর টহল টিমের পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে কাজ করছেন। যান চলাচলের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা কার্যকর করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন মোড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে।”
এদিকে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ সব নির্বাচনী সামগ্রী কঠোর নিরাপত্তায় কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ভোটাররা যাতে নিরাপদে কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে সাতক্ষীরায় সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শুরু করেছেন সেনাসদস্যরা। সাতক্ষীরা সেনাক্যাম্প সূত্র জানায়, জেলার চারটি সংসদীয় আসনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোট ৬০০ জন সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মন থেকে ভয়ভীতি দূর করতে সেনাসদস্যরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন।
সাতক্ষীরা সেনাক্যাম্পের অধিনায়ক লে. কর্নেল চৌধুরী নাবিদ রিফাত মনজুর, পিএসসি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সেনাবাহিনী।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৫৮৯ জন। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ভোটারদের সমপরিমাণ ব্যালট পেপার ইতিমধ্যে জেলায় এসে পৌঁছেছে। জেলার মোট ভোটার ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৫৮৯ জন। পুরুষ ভোটার ৯ লাখ ১৭ হাজার ৭৩৯ জন, নারী ভোটার ৯ লাখ ১৪ হাজার ৮২৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১৩ জন। তরুণ ভোটার (১৮-৩৫ বছর) ৬ লাখ ২৮ হাজার ৬০৯ জন (নতুন ভোটার ৬৭,২৩৩ জন)। জেলায় মোট ৬০৯টি ভোটকেন্দ্রে ৩ হাজার ৩৭২টি ভোটকক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষদের জন্য ১,৫৫৩টি এবং নারীদের জন্য ১,৮১৯টি কক্ষ বরাদ্দ রয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সাতক্ষীরায় ব্যালট পেপারসহ ভোটগ্রহণের উপকরণ কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা নিজ নিজ কেন্দ্রের জন্য বরাদ্দকৃত মালামাল বুঝে নিয়েছেন।
দুর্গম উপকূলীয় এলাকা, বিশেষ করে শ্যামনগর ও আশাশুনির নদীবেষ্টিত কেন্দ্রগুলোর জন্য বিশেষ নৌযানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সময়মতো সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। প্রতিটি কেন্দ্রে সরঞ্জাম পৌঁছানো থেকে শুরু করে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়া পর্যন্ত মোতায়েন থাকবে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা।
এদিকে জেলায় ৬০৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৭৯টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ১৮ লাখের বেশি ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। সাতক্ষীরার প্রায় ২০০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা থাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরাতেও ১০জন প্রথম শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট ও ৪ জন বিচারক নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী অনিয়ম প্রতিরোধ, অভিযোগ অনুসন্ধান এবং বিভিন্ন অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচার (সামারি ট্রায়াল) পরিচালনা ও ঘটনাস্থলেই কারাদ- প্রদানের লক্ষ্যে তারা ইতোমধ্যে মাঠে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।
দায়িত্বপ্রাপ্ত ১০ জন প্রথম শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট জেলার বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। সাতক্ষীরা-১ আসনের কলারোয়া উপজেলায় অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মন্ডল এবং তালা উপজেলায় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তনিমা মন্ডল তনি দায়িত্বে রয়েছেন। সাতক্ষীরা-২ আসনের সাতক্ষীরা পৌরসভা ও বাঁশদহা, কুশখালী, বৈকারী, ঘোনা, শিবপুর ও আলিপুর ইউনিয়নে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অর্পিতা আক্তার ও মো. মেহেদী হাসান এবং দেবহাটায় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজনীন সুলতানা দায়িত্ব পালন করছেন।
সাতক্ষীরা-৩ আসনের আশাশুনিতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম এবং কালিগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল, ভাড়াশিমলা, তারালি ও নলতা ইউনিয়নে ঝিনাইদহ জেলা জজ আদালতের সিভিল জজ আবীর ঘোষ ও সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার এবং সিভিল জজ লিটন দাশ দায়িত্বে রয়েছেন। সাতক্ষীরা-৪ আসনের ভূরুলিয়া, কাশিমারী, শ্যামনগর, নূরনগর, কৈখালী ও রমজাননগর ইউনিয়নে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালের বিচারক (যুগ্ম জেলা জজ) মো. মেহেদী হাসান এবং শ্যামনগরের অন্যান্য ইউনিয়নে সিভিল জজ হাসানুল বান্না দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া চার সদস্যের একটি নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটিও গঠন করা হয়েছে। সাতক্ষীরা-১ আসনের তালা ও কলারোয়ার জন্য যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ নয়ন বিশ্বাস, সাতক্ষীরা-২ আসনের সদর ও দেবহাটার জন্য যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. এনামুল হক, সাতক্ষীরা-৩ আসনের আশাশুনি ও কালিগঞ্জের জন্য ফরিদপুরের ভাঙ্গা চৌকি আদালতের সিনিয়র সিভিল জজ শফিকুল ইসলাম এবং সাতক্ষীরা-৪ আসনের শ্যামনগরের জন্য সিভিল জজ রোকেয়া বিনতে খালেক কমিটিতে রয়েছেন।
এই কমিটি নির্বাচনপূর্ব কোনো অনিয়মের অভিযোগ পেলে তা অনুসন্ধান করে তিন দিনের মধ্যে জেলা নির্বাচন অফিসারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠাবেন। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনকালে কোনো নির্বাচনী অপরাধ নজরে এলে অভিযোগ ছাড়াই সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করে ২ থেকে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদ- ও জরিমানা আরোপ করতে পারবে। নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা প্রতিরোধে তাদের এ কার্যক্রম আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে আজ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। পরদিন শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সারা দেশ থেকে আসা ফলাফল গণনা করে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে। গণমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের ব্রিফিং অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা হয় গত ১১ ডিসেম্বর। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা তৎপর হয়ে ওঠেন। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পরদিন ২২ জানুয়ারি শুরু হয় নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। এবারই প্রথম জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য হচ্ছে গণভোট। এবারই প্রথম প্রার্থীদের পোস্টার ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি।
সারাদেশে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ৫১টি রাজনৈতিক দল ভোটে অংশ নিচ্ছে। ২ হাজার ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে রয়েছে পৌনে ৩শ’ স্বতন্ত্র প্রার্থী। গত ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় প্রচারণা শেষ হয়েছে। রাত পোহালেই বৃহস্পতিবার বহুল কাক্সিক্ষত নির্বাচন ও গণভোট।