• আজ- রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
লোকসানের শঙ্কা নিয়ে শেষ হলো দর্শনা চিনি কলের আঁখ মাড়াই মৌসুম সাতক্ষীরা-২ আসনে মটর গাড়ী প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থীর নির্বাচনী সমাবেশ ও মিছিল সাতক্ষীরা তথ্য অফিসের ট্রাকযোগে নির্বাচনী সংগীতানুষ্ঠান একটি দল চাঁদাবাজি রাহাজানিতে আমাদের জীবন দূর্বিসহ করে তুলেছে- সাতক্ষীরায় জনসভায় ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম গৃহকর্মী মোহনাকে অমানবিক নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা কারাগারে মারা গেলেন সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন কালিগঞ্জে আদালতের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় জমি দখলের অভিযোগ চেয়ারম্যান শওকতের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত হলো সাংবাদিক পরিবারের মিলনমেলা শাড়ি, কম্বল, থ্রি পিস, লুঙ্গি ও বিকাশ নাম্বার নিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে অনেকে- সাতক্ষীরা-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হাবিব কালিগঞ্জের নাজিমগঞ্জ-নূরনগর সড়কের দুই পাশে মরা শিশু গাছ, পথচারীদের জন্য মরণফাঁদ, ঝুঁকিতে জানমাল, দ্রুত অপসারণ দাবি

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ৫৪তম শাহাদতবার্ষিকী আজ

রিপোর্টার: / ৬৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: আাজ ১০ ডিসেম্বর। বীরশ্রেষ্ঠ মো. রুহুল আমিনের ৫৪তম শাহাদতবার্ষিকী। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানি ৭ বীরশ্রেষ্ঠ’র একজন। ১৯৭১ সালের এই দিনে তিনি খুলনার রূপসা নদীর তীরে পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন। রুহুল আমিন ১৯৩৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালীর তৎকালীন বেগমগঞ্জ, বর্তমানে সোনাইমুড়ি উপজেলার দেওটি ইউপির বাঘপাঁচরা গ্রামে (বর্তমানে রুহুল আমিন নগর) এস সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম আজহার পাটোয়ারী ও মা জোলেখা খাতুন।

তিনি ১৯৫০ সালে এসএসসি পাশ করেন। এরপর ঢাকায় পত্রিকা অফিসে চাকরি নেন। পরে নৌবাহিনীতে নাবিক পদে যোগ দেন। মেধা ও দক্ষতার গুণে জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার হন। ১৯৭১ সালের জানুয়ারিতে তাকে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের করাচিতে বদলি করা হয়। তিনি সেখানে যাননি। ইতোমধ্যে ৫ সন্তান রেখে তার স্ত্রী ইন্তেকাল করেন। অবশেষে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

রুহুল আমিন প্রথমে নান্দিয়াপাড়ায় লুৎফুর রহমানের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন। তিনি জেনারেল ওসমানীর নির্দেশে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠনের লক্ষ্যে ভারতে যাওয়ার নির্দেশ পান। এপ্রিলে ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পৌঁছান। ২ নং সেক্টরে যোগ দেন। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সেক্টরের অধীনে বহু স্থলযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠনের উদ্দেশ্যে রুহুল আমিন তখন নৌবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে আগরতলায় একত্রিত হন। পরে কোলকাতায় নৌ-সেক্টরে যোগ দেন।

তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠনকল্পে ভারত সরকার থেকে পাওয়া উপহারের টাগবোট গানবোটে রূপান্তর করেন। এর একটির নাম ‘পদ্মা’ ও অপরটির নাম রাখা হয় ‘পলাশ’। রুহুল পলাশের প্রধান ইঞ্জিনিয়ার আর্টিফিসার নিযুক্ত হন। ৬ ডিসেম্বর যশোর সেনানিবাস হানাদার পাকিস্তান বাহিনীর কবলমুক্ত হয়। নৌপথে যুদ্ধ চলতে থাকে।

একপর্যায়ে মোংলা বন্দর খালিশপুরের অধিনায়ক কৌশলগত কারণে হিরণ পয়েন্টে নিজেদের রণতরি ত্যাগ করতে বলা হয় নৌযোদ্ধাদের। কিন্তু রণতরি ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ মেনে নিতে পারেননি রুহুল আমিন। তিনি যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকেন। এ সময় শত্রু বিমানের গোলা এসে পলাশের ইঞ্জিনরুমে পড়ে আগুন ধরে যায়। তার ডান হাত উড়ে যায়। তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন। হানাদার বাহিনীর দোসর রাজাকাররা তাকে ধরে ফেলে। অমানুষিক নির্যাতন চালালে শহীদ হন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।

স্বাধীনতাযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের মাসখানেকের মাথায় জানা যায়, রুহুল আমিন খুলনার হিরণ পয়েন্টে শত্রু বাহিনীর অতর্কিত বিমান হামলায় রণতরি বিধ্বস্ত হয়ে শহীদ হন। তার লাশ পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হয়, খালিশপুরেই তাকে দাফন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ