• আজ- বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
আশাশুনিতে অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রয়ের অপরাধ: ব্যবসা বন্ধ সাতক্ষীরায় শ্রমিক লীগ সভাপতি সাবু ও মেয়ে ফারজানার দুই কোটি টাকার প্রতারণা: কারাগারে প্রেরণ ইসরাইলে ড্রোন হামলায় লেবাননে আরও এক বাংলাদেশি নিহত শ্যামনগরের গাবুরায় চলাচলের অনুপযোগী নব্বই দশকের ব্রীজ সংস্কার চাই এলাকাবাসী আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে ডিসির অসৌজন্যমুলক আচরণ: প্রেস ব্রিফিং বর্জন কালিগঞ্জে মুরগি ব্যবসায়ীকে জরিমানা করল ভ্রাম্যমাণ আদালত সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রায়হান, সম্পাদক অর্ঘ্য সম্ভ্রম দিয়ে পরিবার বাঁচানো বীরাঙ্গনা টেপরি রাণী আর নেই সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাঙ্গীর নতুন মামলায় গ্রেফতার ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখী নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

সাতক্ষীরায় শ্রমিক লীগ সভাপতি সাবু ও মেয়ে ফারজানার দুই কোটি টাকার প্রতারণা: কারাগারে প্রেরণ

রিপোর্টার: / ৪৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি ছাইফুল করিম সাবু ও তাঁর মেয়ে ফারজানা করিমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ মোঃ নজরুল ইসলাম উভয়পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।আদালত সূত্রে জানা যায়, ছাইফুল করিম সাবু শহরের পৌরদীঘি (প্রাণসায়র) এলাকার বাসিন্দা। তাঁর মেয়ে ফারজানা করিম পলাশপোল এলাকার বাসিন্দা এবং মোস্তফা মাহমুদের স্ত্রী।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শ্যামনগরের ব্যবসায়ী ফণীভূষণ দাস ২০১৮ সালের এপ্রিল ও জুন মাসে ঢাকার একটি ব্যাংক শাখা থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা এফডিআর ও ডাবল বেনিফিট স্কিমে বিনিয়োগের জন্য ট্রাস্ট ব্যাংকের শ্যামনগর (মুন্সিগঞ্জ) শাখায় জমা দেন।

 

সে সময় শাখার তৎকালীন সহকারী ব্যবস্থাপক মোস্তফা মাহমুদ তাঁকে ভুয়া রসিদ দেন। পরে ব্যাংকের এফডিআর বই হারানোর অজুহাতে সহকারী ব্যবস্থাপক মোস্তফা মাহমুদ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। একইভাবে আরও কয়েকজন গ্রাহকের কাছ থেকেও টাকা নিয়ে ভুয়া রসিদ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এসব লেনদেনে শাখা ব্যবস্থাপক ইফতেখারুল ইসলামের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

 

তদন্তে উঠে এসেছে, আত্মসাৎ করা অর্থের একটি অংশ নিয়মবহির্ভূত পে-অর্ডারের মাধ্যমে মোস্তফা মাহমুদ তাঁর শ্বশুর ছাইফুল করিম সাবুর হিসাবে স্থানান্তর করেন। সেখান থেকে ২০ লাখ টাকা ফারজানা করিমের হিসাবে পাঠানো হয়। এছাড়া প্রায় ৩৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা উত্তোলন ও অন্যত্র হস্তান্তরের অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়।

 

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর সহকারী পরিচালক আল আমিন তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে মোট পাঁচজনকে আসামি করা হয়। তদন্তে প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে গত ৬ এপ্রিল আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

 

নির্ধারিত তারিখে মঙ্গলবার ছাইফুল করিম সাবু ও ফারজানা করিম তাঁদের আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন। শুনানিতে দুদকের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান দিলু জামিনের বিরোধিতা করেন। পরে  আদালত তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দুদকের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান দিলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ