• আজ- রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
এলএনজি আসছে ১ লাখ ৯৩ হাজার টন আমার এলাকায় ওয়াজ হবে, কীর্তন-বাউল গানও হবে: রুমিন ফারহানা এশিয়া কাপে ইতিহাস গড়ে সোনা জিতল বাংলাদেশ যুদ্ধের মধ্যেই প্রতিদিন প্রায় ১৪ কোটি ডলার আয় করছে ইরান খামেনির শেষ ছবি প্রকাশ করল ইরান আশাশুনিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন স্বাধীনতা দিবসের ডিসপ্লে অনুষ্ঠানে ‘রাজাকার’ চরিত্র নিয়ে জামায়াত এমপির বাধার অভিযোগ সাতক্ষীরায় তেল নিতে লাগবে ডিসির সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত ‘ফুয়েল কার্ড’ কালিগঞ্জে স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ আনন্দ মেলা উপলক্ষে গ্রামীণ ঐতিহ্যের মিলনমেলা যথাযোগ্য মর্যাদায় সাতক্ষীরায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

আশাশুনিতে স্রোতে ভাঙ্গন কবলের হুমকিতে বেতনা নদী

রিপোর্টার: / ২৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬

আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার সর্ববৃহৎ ব্যবসা কেন্দ্র বুধহাটা বাজার বেতনা নদীর স্রোতে ভাঙ্গনকুল আবারও ভাংতে শুরু করেছে। প্রতিনিয়ত বেড়ী বাঁধ ভাংতে ভাংতে বাজার ও সংলগ্ন জনবসতি এলাকা চরম হুমকীতে পড়েছে।
খরস্রোতা বেতনা নদীর পানির তোড়ে বাজারের পূর্ব-দক্ষিণ অংশে, মূল বাজারের পূর্ব অংশ এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে সেই ২০/৪০ বছর আগে থেকে ভাঙ্গন ছিল। তখন থেকে নদীর অপর পাড়ে বাহাদুরপুর অংশে পলি জমতে জমতে শত শত হাত নদী ভরাট হয়ে যায়। ফলে বাজার ও সংলগ্ন এলাকা ভেঙ্গে বাজারকে সংকুচিত করে ফেলে। নদী খননের সময় ভরাট হওয়া অংশ কেটে স্রোতকে ডাইভাট করার দাবী ছিল সকলের। যাতে ভাঙ্গনকূলকে রক্ষা করা সম্ভব হয় এবং সিএস-ডিএস ম্যাপ অনুযায়ী নদীর সকীয়তা ফিরতে পারে। কিন্তু খনন কাজের সময় অপরিকল্পিত ভাবে ভাঙ্গন কুলকে রক্ষার কোন ব্যবস্থা না করে ভরাট স্থানকে অটুট রেখে বলতে গেলে ভাঙ্গন স্থান দিয়ে খনন কাজ করা হয়। ফলে নদী চালুর পর থেকে আবারও বাজার এলাকা ও পাশের প্রায় ৫ শত হাত এলাকায় পুনরায় ভাঙ্গন লোগেছে। ইতিমধ্যে ২/৩ হাত করে বাঁধের মাটি নদীতে চলে গেছে।
স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান, নদী পারাপারে ব্যবহৃত নৌকা ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী পারাপার করছে। কয়েকদিন পূর্বে খেয়া নৌকা নদীর তীরে আসার মুহুর্তে বাঁধের মাটি ভেঙ্গে পড়লে যাত্রীরা নৌকা ডুবির শিকার হন। নৌকায় থাকা শিশু যাত্রীর প্রাণ নিয়ে টানাটানি পড়েছিল। আল্লাহর রহমতে কোন রকমে প্রাণে বেঁচে গেলেও বিপদ জনক পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছিল।
জজ কোর্টের এপিপি ও উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য এড. শহিদুল ইসলাম জানান, নদী ভরাট হওয়া মাটি কেটে স্রোতকে ডায়ভাট করে ভাঙ্গন রোধের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না করলে বুধহাটা বাজার ও সংলগ্ন এলাকার ভাঙ্গন রোধ সম্ভব হবেনা। তিনি দ্রুত প্রকৃত নদী ভরাট হওয়া মাটি কেটে ব্যবস্থা নিতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ