• আজ- শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরায় জামায়াত নেতার ছেলের তিন বছর ঘনিষ্ট প্রেমের সম্পর্ক: আজ বিয়ের পিড়িতে বসছেন অন্য মেয়ের সাথে আশাশুনিতে শিক্ষিকার যোগদানের সাড়ে ৩ বছরে অধিকাংশ সময় ছুটি আর অনুপস্থিত: বেতন তুলেছেন ষোলআনা কালিগঞ্জে ইনকিলাবের ৪০তম বর্ষপূর্তি উৎযাপন জমিজমা বিরোধে হামলা: ভয়ভীতি ও মামলার অভিযোগ সাতক্ষীরায় হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে আদালত চত্বরে হামলা খুলনায় গৃহকর্মীকে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা, পুলিশ দম্পতি গ্রেপ্তার জীবিত বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত এমপি ভোজিনিয়ার খেলা এবার সরাসরি দেখবেন তার মা খালি পায়ে খেলা সেই ছেলেই এখন মেক্সিকোর বিশ্বকাপ নায়ক যেসব দেশে আটকে আছে ইরানের ১০ হাজার কোটি ডলার

আশাশুনির আরার দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসা নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

রিপোর্টার: / ৭৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬

আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: নানা জটিলতায় নিতান্তই অসহায়ভাবে পবিত্র কোরআন শিক্ষা নিতে হচ্ছে সাতক্ষীরার আশাশুনির আরার দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের।
শ্রেণী কক্ষের স্বল্পতা, আবাসন ব্যবস্থা না থাকা, সুপেয় পানির অভাব, সীমানা প্রাচীর না থাকায় নিরাপত্তা জটিলতার মধ্যেও চলছে ৭৫ জন শিশুর পবিত্র কোরআন শিক্ষা।
সরজমিন মাদ্রাসা ঘুরে দেখা গেছে, চলমান শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেও একচালা টিনের ঘরের মেঝেতে মাদুর পেতে শীতে কাঁপতে কাঁপতে তারা পড়াশোনা করছে। দ্বীনের শিক্ষায় শিক্ষিত হতে বিরুদ্ধ প্রকৃতির সাথে হার না মানা লড়াইটা তাঁরা দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করে যাচ্ছে এই শিশু বয়সেই।
মাদ্রাসা সুপারিনটেনডেন্ট মিয়ারাজ আলী সাংবাদিকদের জানান, শত কষ্টের মাঝেও হাসিমুখে কিভাবে তিনি এই অসহায় এতিম শিশুদের মাঝে দ্বীনের শিক্ষার ব্যবস্থা করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, আশেপাশের অসহায়, হতদরিদ্র ও এতিম শিশুদের নূরানী, নাজরা, হেফজ ও কিতাব খানা শিক্ষা দানের লক্ষ্যে সকলের পরামর্শ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতার আশ্বাসে গ্রামে একটি  দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জমি দিতে কেউ সম্মত না হলে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা নিয়ে কাদাকাটি বাজার সংলগ্ন অতি মনোরম পরিবেশের নিজস্ব প্রায় ৩ বিঘা জমিতে ২০০৫ সালে তিনি কওমী মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। টিনের চাল ও বেড়া দিয়ে, এলাকা থেকে বাঁশ চেয়ে নিয়ে কয়েকটি কক্ষ নির্মাণ করে ৩ জন শিক্ষক নিয়ে আমরা মাদ্রাসার পাঠদান শুরু করি।
এলাকার অসহায়, দুঃস্থ ও এতিম ছেলেমেয়েদের ইসলামী শিক্ষার ব্যবস্থা হওয়ায় অভিভাকরা তাদের শিশুদের মাদ্রাসায় পাঠাতে শুরু করেন। কিন্তু টিনের ঘরে গরমের সময় যেমন গরম তেমন শীতের সময় প্রচণ্ড শীতে ছেলে-মেয়েদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। আবার বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে কাদাপানিতে পাঠদান ব্যাহত হয়। তারপরও বর্তমানে ৭৫ জন নিয়মিত শিক্ষার্থী এখানে পড়াশোনা করছে। শ্রেণী কক্ষের স্বল্পতা ও আবাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে দ্বিতল ভবন নির্মাণ, সুপেয় পানির অভাব পূরণে গভীর নলকূপ স্থাপন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ