
অনলাইন ডেস্ক: গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।
রিটে বলা হয়েছে, গণভোট প্রক্রিয়ায় নানা ধরনের অনিয়ম ও বিধি-উল্লঙ্ঘন হয়েছে। এ কারণে গণভোটের ফলাফল যথাযথ ও বৈধ নয়। তাই রিটকারীর দাবি, হাইকোর্ট যেন গণভোটের ফলাফল বাতিল করে দেয় এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেয়।
আইনজীবী তৌহিদ জানান, এই রিটটি রাজনৈতিক ও সামাজিক স্বার্থের বিষয় হিসেবে দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন, “জনগণ যে সুষ্ঠু ও ন্যায্য গণভোটের অধিকার রাখে, তা সুরক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। গণভোট প্রক্রিয়া যদি অনিয়মমুক্ত না হয়, তাহলে তার ফলাফলও বৈধ হতে পারে না।”
রিটে হাইকোর্টকে অনুরোধ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনকে এই বিষয়ে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ প্রদান করতে এবং প্রক্রিয়াগত ত্রুটি ও অনিয়মগুলো বিবেচনা করে ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের ব্যবস্থা নিতে। রিটে আরও বলা হয়েছে যে, ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং ন্যায্যতা নিশ্চিত করা উচিত।
বিচারপতিরা রিটের কপির পর্যালোচনা করে পরবর্তী শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করবেন। এ ধরণের জনস্বার্থমূলক রিট সাধারণত দ্রুত শুনানি ও সিদ্ধান্তের জন্য বিবেচিত হয়।
আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই রিট নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক মানদণ্ড রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে, রিটের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো তাত্ক্ষণিক প্রভাব গণভোটের ফলাফলে পড়বে কি না, তা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
এ ধরনের মামলা প্রমাণ করে যে, নির্বাচনী ফলাফলের বৈধতা এবং জনগণের ভোটাধিকারের সুরক্ষা নিয়ন্ত্রণে বিচারব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জনস্বার্থে দায়ের হওয়া রিটগুলো প্রায়ই দেশের আইনশৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ রাখতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়।