• আজ- বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
আশাশুনিতে মাদকের টাকা দিতে অস্বীকার করায় ছেলের হাতে মা জখম ড. রবিউল ইসলাম খানের নেতৃত্বে বিএনপিতে যোগদানকারীদের শুভেচ্ছা জানাল সাতক্ষীরা ছাত্রদল চুয়াডাঙ্গায় টিসিবি ডিলারের বিরুদ্ধে পণ্যে ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আজ চাঁদ দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার থেকে রোজা শুরু সাবেক সমন্বয়ক মাহদীকে শাহজালাল বিমানবন্দরে জিজ্ঞাসাবাদ সাতক্ষীরা প্রাণ সায়ের খাল আবারও দখল ও দূষণের কবলে: রক্ষায় মানববন্ধন যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেওয়া হবে: মির্জা ফখরুল সাতক্ষীরায় কৃষি অফিসের ফ্রি বিতরণের ম‍্যাশিন ব‍্যবসায়ীকে দেওয়ার অভিযোগ সাতক্ষীরার সন্তান শফিকুল ইসলাম হলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল

পাকিস্তানের বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াই আজ

রিপোর্টার: / ১৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক: ‘আহত বাঘ’—এ শব্দযুগল ক্রিকেট-অভিধানে শুধু পাকিস্তানের জন্যই বরাদ্দ। ১৯৯২ ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রথম ৫ ম্যাচ থেকে ৩ পয়েন্ট পাওয়া পাকিস্তান কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। প্রথম পর্বে পরের তিনটি ম্যাচ ছিল অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। সেমিফাইনালে যেতে হলে তিনটি ম্যাচই জিততে হতো পাকিস্তানকে। ‘বাঁচামরার’ সেই তিন ম্যাচের আগে নিজের দলকে ‘আহত বাঘ’ আখ্যা দিয়েছিলেন অধিনায়ক ইমরান খান।

আহত বাঘ কীভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে লড়াই জেতে সেটা দেখাতে চেয়েছিলেন বিশ্বকে। পরের অংশটা রূপকথা—প্রথম রাউন্ডের শেষ তিন ম্যাচের পর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল জিতে পাকিস্তান হয়েছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। কিন্তু পাকিস্তান কি আর আগের মতো সেই ‘আহত বাঘ’ আছে, যারা বাঁচামরার ম্যাচের আগে ঘুরে দাঁড়িয়ে লড়াই জিতবে!

এই পাকিস্তান দলকে আসলে বলা যায় নখদন্ত হারিয়ে ফেলা ঝিমিয়ে পড়া এক বাঘ। বছর দুই-তিন আগেও ব্যাটিং হিরো বাবর আজম আর ভীতি জাগানিয়া ফাস্ট বোলার শাহিন শাহ আফ্রিদি এখন ‘ধূসর’ তারকা। ব্যাটিং-বোলিংয়ে ছন্দ হারিয়ে পাকিস্তান দল যেন অতীতের সেই যুদ্ধংদেহী পাকিস্তানের এক ছায়া মাত্র।

এ কারণেই তো দলের আরেকটি বাঁচামরার লড়াইয়ের আগে পাকিস্তানকে নিয়ে ভরসা করতে পারছেন না সমর্থক আর সাবেকেরা। সেই লড়াই আবার এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত কোনো পয়েন্ট না পাওয়া নামিবিয়ার বিপক্ষে হওয়ার পরও!

ছন্দে নেই বাবর

নামিবিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে আজ নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলতে নামার আগে পাকিস্তানের সমীকরণে কোনো প্যাঁচ নেই। সমীকরণটা বরং একদম সরল ও সহজ—ম্যাচ জেতো, সুপার এইটে যাও। এমন সমীকরণের এক ম্যাচের আগে ধারে ও ভারে নামিবিয়ার চেয়ে অনেক এগিয়ে পাকিস্তান।

টি-টুয়েন্টির ব্যাটসম্যানদের র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে দশে পাকিস্তানের একজন আছেন, শীর্ষ ২৫ ধরলে তিনজন। আর নামিবিয়ার সর্বোচ্চ র‌্যাঙ্কিংধারী গেরহার্ড এরাসমাস আছেন যৌথভাবে ৪৯তম স্থানে। বোলিংয়েও আর পার্থক্য—শীর্ষ দশে পাকিস্তানের দুজন আর নামিবিয়ার সর্বোচ্চ র‌্যাঙ্কিংধারী বার্নার্ড  শলৎজ আছেন ৭৯ নম্বরে।

এমন পার্থক্যের পরও পাকিস্তানের ভয় ছন্দহীনতা। এবারের বিশ্বকাপে প্রথম দুটি ম্যাচে জিতলেও ব্যাটসম্যান-বোলাররা নিজেদের সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। প্রথম ম্যাচে তো নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে হারতে হারতে জিতেছে তারা ৩ বল হাতে রেখে ৩ উইকেটে। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৩২ রানে জিতলেও ফিফটি করেছেন শুধু সাহিবজাদা ফারহান আর বল হাতে সর্বোচ্চ উইকেট অফ স্পিনার উসমান তারিকের ৩টি।

এরপর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে উড়ে যাওয়া ম্যাচের পর তো আত্মবিশ্বাসও তলানিতে পাকিস্তান দলের। অনেক নাটকের পর কলম্বোতে হওয়া ভারত ম্যাচে ১৭৫ রান তাড়া করতে নেমে হেরেছে ৬১ রানে। সেই ম্যাচের পর পাকিস্তানের প্রধান কোচ চেষ্টা করছেন দলের খেলোয়াড়দের মনোবল ফিরিয়ে আনতে। সেটা কতটা পেরেছেন, তা বোঝা যাবে আজ নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে। তবে কাল উসমান তারিক বলেছেন, ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এ ম্যাচের জন্য খুব ভালোভাবে প্রস্তুত, ‘এ অবস্থা থেকে দলের আত্মবিশ্বাস ফেরানো কঠিন তখনই, যখন আপনি আগের ম্যাচের ভুলগুলো নিয়ে কাজ না করবেন। আমরা ভুল নিয়ে কাজ করেছি। তাই আমার মনে হয় কাজটা কঠিন হবে না।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ