• আজ- মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়, কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনার বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন সাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদ্বন্ড সাতক্ষীরায় ৬৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কালিগঞ্জে পুলিন বাবুর হাটখোলায় শান্তিপূর্ণভাবে ডিজেল বিক্রি শ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে কলস নিয়ে দৌড়ে অংশ নিল দুই শতাধিক মানুষ সাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ এলজিইডির হিসাব রক্ষক মুস্তাফিজের ঘুষ বাণিজ্যের ভিডিও ভাইরাল কালিগঞ্জে আদি যমুনায় ৪০ লক্ষ টাকার তীর রক্ষা বাঁধ: মাস না পেরোতেই ধস

যারা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নয়- সাতক্ষীরায় হাবিবুল ইসলাম হাবিব

রিপোর্টার: / ১০৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেছেন, ‘‘আমার বিরুদ্ধে যারা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার কোনো মানসিকতা আমার নেই। আমি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। বাকীটা জীবন আমি গণমানুষের সেবায় নিজেকে ব্যস্ত রাখব।’’

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সাতক্ষীরা শহরের হোটেল টাইগার প্লাসের কনফারেন্স রুমে উচ্চতর আদালতে ৭০ বছরের সাঁজা থেকে খালাস প্রাপ্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, ‘‘যে মাফুজাকে ধর্ষণের ঘটনায় শেখ হাসিনা সাতক্ষীরায় এসেছিলেন, সেই ঘটনার বিচার তিনি করেননি। উল্টো আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করে আমাকে ৭০ বছরের কারাদন্ড ও অন্যান্য ৪৯ আসামীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছিল। অথচ কথিত ওই ঘটনার দিন আমি সাতক্ষীরায় ছিলাম না, ঢাকায় ছিলাম।’’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সাবেক সদস্য সচিব তারিকুল হাসান, সাতক্ষীরা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুস সাত্তার, স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি কামরুজ্জামান ভুট্রো প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে কলারোয়ায় শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনার ১২ বছর পর কলারোয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে পৃথক তিনটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারিক আদালত সাবেক এমপি হাবিবসহ ৫০ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন। এর মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবকে সর্বোচ্চ ৭০ বছরের সাজা প্রদান করা হয়।
৫০ জন আসামীর মধ্যে ৪ জন সাতক্ষীরা আদালতে মৃত্যুবরণ করেন। ২২ অক্টোবর বুধবার দুপুরে বিস্ফোরক দ্রব্য ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৪৪ জন আসামিকে খালাস দেয় উচ্চতর আদালত।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ