• আজ- বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন

সাতক্ষীরায় ভয়াবহ ভুমিকম্প অনুভূত: কয়েকটি কাঁচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত ও পাকা দেয়ালে ফাটল

রিপোর্টার: / ৮৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। আকস্মিক এই কম্পনে সাতক্ষীরা সদর, আশাশুনি ও তালাসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশকিছু ঘরবাড়ি ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ফাটল, কয়েকটি কাঁচাঘর বাড়ি ধসে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভূমিকম্পটি অনুভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেয়। তবে, এর উৎপত্তি স্থল আশাশুনি উপজেলায় বলে জানা গেছে।

জেলা প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানতে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবাইকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।


ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। গুগলের অ্যান্ড্রয়েড আর্থকুয়েক অ্যালার্ট সিস্টেমের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৯।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল খুলনা জেলা শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা থেকে ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার। গুগলের অ্যান্ড্রয়েড আর্থকুয়েক অ্যালার্ট সিস্টেমের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি স্থল ছিল আশাশুনি উপজেলা সদর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরত্বে।

রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা এবং পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কিছু এলাকাতেও (যেমন বারাসাত) এই ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।

তবে, তাৎক্ষণিকভাবে এই ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ