• আজ- শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
আশাশুনির মহেশ্বরকাটি মৎস্য সেটে ব্যবসায়ীর টাকা লোপাট দেবহাটা ও আশাশুনির শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন সাতক্ষীরার জাহানাবাজে ঘোড়দৌড় দেখতে গিয়ে মোটরসাইকেল চুরি কালিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা দাবি ট্রান্সফরমার চুরির ১৫ মাস পরও বিদ্যুৎহীন স্কুল দাবদাহে কষ্টে শিক্ষার্থীরা: জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ, উদ্বোধনী ম্যাচে লড়বে মেক্সিকো-দ. আফ্রিকা ওমান উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, মার্কিন কূটনীতিককে তলব ভারতের হরমুজে দুই জাহাজে ইরানের হামলা সুন্দরবনের উপকূলে নদীপথে বিএসএফ’র পুশইন চেষ্টা: রুখে দিল বিজিবি

ইরানের সতর্কবার্তার পর বৈরুত হামলা স্থগিত করল ইসরাইল

রিপোর্টার: / ২০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের কড়া সতর্কবার্তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতার পর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা থেকে আপাতত সরে এসেছে ইসরাইল। এমন দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সোমবার (১ জুন) সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন।

ট্রাম্প জানান, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার একটি ‘খুবই ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। তার ভাষ্য, ‘বৈরুতে কোনো সেনা যাবে না। যারা পথে ছিল, তাদেরও ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও হয়েছে আলোচনা। তার দাবি, ‘হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আমার ভালো আলোচনা হয়েছে। তারা সম্মত হয়েছে যে সব ধরনের গোলাগুলি বন্ধ থাকবে। ইসরাইল তাদের ওপর হামলা করবে না এবং তারাও ইসরাইলের ওপর হামলা করবে না।’

এর আগে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগের মধ্যেই গত কয়েক দিনে লেবাননে হামলা জোরদার করে ইসরাইল। সোমবার নেতানিয়াহু বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলির হিজবুল্লাহ-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় হামলার নির্দেশ দেন বলে উল্লেখ করা হয় বিভিন্ন প্রতিবেদনে। এতে নতুন করে বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। ইতোমধ্যে চলমান সংঘাতে লেবাননে ১০ লাখের বেশি মানুষ ঘরছাড়া হয়েছে।

নেতানিয়াহুর ঘোষণার পরই ইরানের সামরিক ও কূটনৈতিক মহল কঠোর প্রতিক্রিয়া জানায়। ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড সতর্ক করে বলে, ইসরাইল যদি দক্ষিণ বৈরুতে হামলার হুমকি বাস্তবায়ন করে, তাহলে অধিকৃত অঞ্চলের উত্তরাংশে বসবাসকারী ইসরাইলি নাগরিকদের এলাকা ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে হবে।

এক বিবৃতিতে ইরানি কর্তৃপক্ষ দাবি করে, ইসরাইল ধারাবাহিকভাবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে। তাদের ভাষ্য, ‘যদি তারা এই হুমকি বাস্তবায়ন করে, তাহলে উত্তরাঞ্চল ও সামরিক বসতিগুলোর বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে তারা ক্ষতির শিকার না হন।’

দেশটি বলছে, গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল, তাতে শুধু ইরান নয়, লেবাননসহ সংশ্লিষ্ট সব ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধ রাখার বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি মন্তব্য করেন, লেবাননে ইসরাইলের বাড়তে থাকা হামলা, দেশটিতে সামরিক অভিযান এবং ইরানি বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন।

তার ভাষ্য, ‘যুদ্ধবিরতি সব ফ্রন্টের জন্য প্রযোজ্য, যার মধ্যে লেবাননও রয়েছে।’

তিনি সতর্ক করেন, কোনো একটি ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ হলে সেটিকে পুরো চুক্তি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সতর্ক করে লিখেছেন, ‘নৌ অবরোধ এবং গণহত্যাকারী জায়োনিস্ট শাসকের লেবাননে যুদ্ধাপরাধ বৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার স্পষ্ট প্রমাণ।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘প্রতিটি সিদ্ধান্তের একটি মূল্য আছে, আর সেই মূল্য পরিশোধ করতেই হয়।’

সূত্র: রয়টার্স


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ