• আজ- সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে বাবাকে নিয়ে লিখেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মেহেদী আলী সুজয় সাতক্ষীরায় শিক্ষা কর্মকর্তাকে জীবন নাশের হুমকি দিলেন জামায়াত নেতা মুকুল তালায় খাল সংস্কার, পাইপ স্থাপন ও জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রাচীর এখন জনগণের মরণ ফাঁদ, ঘটতে পারে দূর্ঘটনা: জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন বহু বিবাহের নায়ক কলারোয়ার আসিফ ইকবাল এবার অসামাজিক কাজে জনতার হাতে আটক: অবশেষে মুক্তি ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ আগামী দুবছর ‘কঠিন’ যাবে, সতর্ক করলেন অর্থমন্ত্রী পেলের ৬৮ বছর আগের রেকর্ড স্পর্শ করলেন ইয়ামাল রাস্তায় ঘুমানো বেইরানভান্দ এখন ইরানের নায়ক খেলা শেষে ড্রেসিংরুমে নোট রেখে গেল ইরান, কী লেখা আছে তাতে?

সাতক্ষীরার মেধাবী শিক্ষার্থী রত্নার লেখা পড়ার দায়িত্ব নিলেন ছাত্রদল নেতা শাহিন

রিপোর্টার: / ১০২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি: দরিদ্র, মায়ের অসুস্থতা আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির মাঝেও উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছিলেন সাতক্ষীরার মেধাবী ছাত্রী রত্না খাতুন। সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজে ইসলামের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেলেও অর্থাভাবে তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। অবশেষে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন সাতক্ষীরা শহর ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোঃ শাহিন ইসলাম।

ছাত্রদলের এই নেতা বুধবার সকালে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজে গিয়ে রত্নাকে ইসলামের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি করিয়ে দেন। এ সময় তিনি ভর্তি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করে দেন।

এই মানবিক উদ্যোগের সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, দিবা-নৈশ কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব তামিম রশিদ, শহর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মহিউদ্দিন কোরাইশ, সদর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য সাইফুল ইসলাম, ছাত্রনেতা সোহান, সরকারি মহিলা কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী মিম সুলতানা প্রমুখ।

রতœা এসময় জানান, ভর্তির সুযোগ পেয়েও টাকার অভাবে ভর্তি হতে পারছিলাম না। আজ ভর্তি হতে পেরে আমি অনেক খুশি। যারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

ছাত্রদল নেতা শাহিন ইসলাম জানান, অর্থাভাবে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সমাজের বিত্তবানদেরও উচিত এমন শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো।

উল্লেখ্য ঃ রতœা সাতক্ষীরা দ্যাপোল স্টার পৌর হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং ছফুরন্নেসা মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। সম্প্রতি দ্বিতীয় রিলিজ স্লিপে ইসলামের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান তিনি। কিন্তু অর্থাভাবে ভর্তি হতে না পারায় শিক্ষাজীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে।
রত্নার মা রহিমা বেগম কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত। এই রোগে তাঁর হাতের দশটি ও পায়ের তিনটি আঙুল নষ্ট হয়ে গেছে। অসুস্থ শরীর নিয়েও তিনি হাঁস-মুরগি পালন ও মানুষের সহায়তায় কোনো মতে সংসার চালান। স্বামী বহু আগেই পরিবার ছেড়ে চলে গেছেন।

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ