• আজ- সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক ৪শ’ বছরের গুড়পুকুর মেলার কোটি টাকা লুটেপুটে খেল কারা? রাজস্ব থেকে বঞ্চিত সাতক্ষীরার কাটিয়া ‘তাকওয়া মাদ্রাসা’য় শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ দেবহাটার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কালিগঞ্জে বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মিজ্ কাওছার আজিজ

সাতক্ষীরার মেধাবী শিক্ষার্থী রত্নার লেখা পড়ার দায়িত্ব নিলেন ছাত্রদল নেতা শাহিন

রিপোর্টার: / ১৩৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি: দরিদ্র, মায়ের অসুস্থতা আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির মাঝেও উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছিলেন সাতক্ষীরার মেধাবী ছাত্রী রত্না খাতুন। সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজে ইসলামের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেলেও অর্থাভাবে তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। অবশেষে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন সাতক্ষীরা শহর ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোঃ শাহিন ইসলাম।

ছাত্রদলের এই নেতা বুধবার সকালে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজে গিয়ে রত্নাকে ইসলামের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি করিয়ে দেন। এ সময় তিনি ভর্তি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করে দেন।

এই মানবিক উদ্যোগের সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, দিবা-নৈশ কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব তামিম রশিদ, শহর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মহিউদ্দিন কোরাইশ, সদর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য সাইফুল ইসলাম, ছাত্রনেতা সোহান, সরকারি মহিলা কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী মিম সুলতানা প্রমুখ।

রতœা এসময় জানান, ভর্তির সুযোগ পেয়েও টাকার অভাবে ভর্তি হতে পারছিলাম না। আজ ভর্তি হতে পেরে আমি অনেক খুশি। যারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

ছাত্রদল নেতা শাহিন ইসলাম জানান, অর্থাভাবে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সমাজের বিত্তবানদেরও উচিত এমন শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো।

উল্লেখ্য ঃ রতœা সাতক্ষীরা দ্যাপোল স্টার পৌর হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং ছফুরন্নেসা মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। সম্প্রতি দ্বিতীয় রিলিজ স্লিপে ইসলামের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান তিনি। কিন্তু অর্থাভাবে ভর্তি হতে না পারায় শিক্ষাজীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে।
রত্নার মা রহিমা বেগম কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত। এই রোগে তাঁর হাতের দশটি ও পায়ের তিনটি আঙুল নষ্ট হয়ে গেছে। অসুস্থ শরীর নিয়েও তিনি হাঁস-মুরগি পালন ও মানুষের সহায়তায় কোনো মতে সংসার চালান। স্বামী বহু আগেই পরিবার ছেড়ে চলে গেছেন।

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ