• আজ- বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
কালিগঞ্জে হুক লাগিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ: মিটার ও মটর জব্দ সাতক্ষীরায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন, স্ত্রী আটক কালিগঞ্জে ভ্যানচালককে পিটিয়ে আহত: অভিযুক্ত শামীমকে পুলিশে সোপর্দ কালিগঞ্জে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিন সম্পন্ন: অনুপস্থিত ১৩ দেবহাটায় ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্ম এর অর্ধবার্ষক পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন বিষয়ক কর্মশালা শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে কড়া ব্যবস্থাপনায় সাতক্ষীরায় এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরার সুন্দরবনে ৪২ টি হরিণ ধরার ফাঁদ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা টেকনাফের পাহাড়ে মিলল ৩ লাশ নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

ইছামতি নদীতে মিলনমেলা ছাড়াই প্রতিমা বিসর্জন

রিপোর্টার: / ২৪৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার ইছামতি নদীতে এবার অনুষ্ঠিত হলো শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন। তবে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ভেঙে এ বছর আর হয়নি বাংলাদেশ-ভারতের মিলনমেলা।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকালে যাত্রামঙ্গল শেষে বিকেল ৫টায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন করেন। নদীর বাংলাদেশের দেবহাটা টাউন শ্রীপুর ও ভারতের টাকি পৌরসভার ঘাটে একসঙ্গে বিসর্জন অনুষ্ঠিত হলেও মিলনমেলার প্রাণচাঞ্চল্য এবার অনুপস্থিত ছিল।

বিগত কয়েক দশক ধরে এই ইছামতি নদীজুড়ে দুই বাংলার হাজারো মানুষের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। নদীপাড়ে উভয় দেশের মানুষ ভিড় জমাত, নৌযানে তৈরি হতো উৎসবের আমেজ। তবে সাম্প্রতিক বছর গুলোতে মিলনমেলা সীমিত হয়ে পড়লেও ভারতীয় পাড়ে নৌযান ঘুরে বেড়ানোর মাধ্যমে পরিবেশ কিছুটা হলেও উৎসবমুখর থাকত। কিন্তু এবছর ভিন্ন আঙ্গিকে কড়া নজরদারির মধ্যেই প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়।

বিএসএফের সঙ্গে বিজিবির পতাকা বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মিলনমেলা ছাড়াই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। নদীতে কোনো নৌযান চলাচল ছিল সীমিত পরিসরে। তবে দুই তীরজুড়ে ছিল হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর স্পিডবোট ও কড়া নিরাপত্তায় পুরো এলাকা ছিল নজরদারির আওতায়।

বিসর্জন উপলক্ষে বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক, বিজিবি, পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ এবং জনপ্রতিনিধিরা।

স্থানীয় দর্শনার্থীদের অনেকেই আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আমরা চাই পূর্বের ন্যায় দুই বাংলার মিলনমেলার মাধ্যমে প্রতিমা বিসর্জন হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ