• আজ- শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে চিকিৎসাসেবা আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গা বাজার রক্ষা বাঁধের কাজে অনিয়ম, কাজ সাময়িক বন্ধ সাতক্ষীরায় কুপিয়ে হত্যা: পুকুরে ফেলে রাখা হয় মরদেহ কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্য সাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনা সাতক্ষীরা ল কলেজ পরিদর্শন করলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সালিশে বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যা ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা বিশ্বকাপের তারকা, তারকার বিশ্বকাপ: ‘বার্সেলোনার’ রাফিনিয়ার এবার ‘ব্রাজিলের’ হওয়ার পালা ৪০০ পেরিয়ে বাংলাদেশ অলআউট

৯৭ বছর বয়সি মাখন লালের পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন মোদি, কে এই নেতা?

রিপোর্টার: / ২০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠানে ৯৭ বছর বয়সি প্রবীণ বিজেপি নেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে তার পায়ে হাত দিয়ে আশীর্বাদ নেন এবং তাকে জড়িয়ে ধরেন মোদি।

কিন্তু কে এই নেতা? তার নাম মাখন লাল সরকার। কলকাতায় আয়োজিত এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মাখন লাল সরকারের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পায়।

 

শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতা বিজেপির প্রাথমিক সময়ের অন্যতম সংগঠক হিসেবে পরিচিত। দলীয় সূত্র জানায়, তিনি জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ঘনিষ্ঠ সহযাত্রী ছিলেন এবং তার শেষ কাশ্মীর সফরেও সঙ্গে ছিলেন।

 

পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানান, দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার কারণে একসময় কংগ্রেস সরকারের আমলে মাখন লাল সরকারকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। পরে আদালতে তাকে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি তাতে রাজি হননি।

তিনি বলেন, আদালতে বিচারকের অনুরোধে মাখন লাল সরকার সেই গান আবার গেয়ে শোনান। তার সাহসিকতায় মুগ্ধ হয়ে বিচারক পুলিশকে তাকে সম্মানের সঙ্গে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং যাত্রার খরচও দেওয়ার কথা বলেন।

মাখন লাল সরকার শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার প্রথম বিজেপি জেলা সভাপতি ছিলেন। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে বিজেপি গঠনের পর উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠন বিস্তারে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

 

১৯৮১ সাল থেকে টানা সাত বছর জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি, যা সে সময়ের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি তৃণমূল পর্যায়ের একজন নিবেদিত সংগঠক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

সূত্রঃ এনডিটিভি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ