• আজ- বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

৯৭ বছর বয়সি মাখন লালের পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন মোদি, কে এই নেতা?

রিপোর্টার: / ১৯০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠানে ৯৭ বছর বয়সি প্রবীণ বিজেপি নেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে তার পায়ে হাত দিয়ে আশীর্বাদ নেন এবং তাকে জড়িয়ে ধরেন মোদি।

কিন্তু কে এই নেতা? তার নাম মাখন লাল সরকার। কলকাতায় আয়োজিত এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মাখন লাল সরকারের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পায়।

 

শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতা বিজেপির প্রাথমিক সময়ের অন্যতম সংগঠক হিসেবে পরিচিত। দলীয় সূত্র জানায়, তিনি জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ঘনিষ্ঠ সহযাত্রী ছিলেন এবং তার শেষ কাশ্মীর সফরেও সঙ্গে ছিলেন।

 

পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানান, দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার কারণে একসময় কংগ্রেস সরকারের আমলে মাখন লাল সরকারকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। পরে আদালতে তাকে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি তাতে রাজি হননি।

তিনি বলেন, আদালতে বিচারকের অনুরোধে মাখন লাল সরকার সেই গান আবার গেয়ে শোনান। তার সাহসিকতায় মুগ্ধ হয়ে বিচারক পুলিশকে তাকে সম্মানের সঙ্গে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং যাত্রার খরচও দেওয়ার কথা বলেন।

মাখন লাল সরকার শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার প্রথম বিজেপি জেলা সভাপতি ছিলেন। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে বিজেপি গঠনের পর উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠন বিস্তারে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

 

১৯৮১ সাল থেকে টানা সাত বছর জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি, যা সে সময়ের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি তৃণমূল পর্যায়ের একজন নিবেদিত সংগঠক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

সূত্রঃ এনডিটিভি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ