• আজ- বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

শিক্ষা ব্যয় তলানিতে, দারিদ্র্যে নতুন রেকর্ড পাকিস্তানের

রিপোর্টার: / ৭৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানে দারিদ্র্যের হার বেড়ে ২৮.৯ শতাংশে পৌঁছেছে।  একই সময়ে শিক্ষা খাতে ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ২০২৫ অর্থবছরে জিডিপির মাত্র ০.৮ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০২৩ অর্থবছরে এই হার ছিল ১.৫ শতাংশ।

পাকিস্তান ইকোনমিক সার্ভে ২০২৫-২৬–এ এই তথ্য জানানো হয়েছে।   খবর জিও নিউজের।

সার্ভে অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ২১.৯ শতাংশ, যা এখন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে বহু মানুষ আবার দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। এটিকে সাম্প্রতিক বছরের অন্যতম বড় সামাজিক অবনতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। গ্রামীণ দারিদ্র্য ২৮.২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৬.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। শহরে এই হার ১১ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৭.৪ শতাংশ হয়েছে।

প্রদেশভিত্তিক হিসাবেও সব এলাকায় দারিদ্র্য বেড়েছে। বেলুচিস্তানে দারিদ্র্য সবচেয়ে বেশি, ৪৭ শতাংশ। খাইবার পাখতুনখোয়ায় ৩৫.৩ শতাংশ, সিন্ধে ৩২.৬ শতাংশ এবং পাঞ্জাবে ২৩.৩ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে।

সার্ভেতে আরও বলা হয়েছে, দেশে আয় বৈষম্যও বেড়েছে।

একটি পৃথক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাহ্যিক সংকট বা ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে এবং লাখ লাখ মানুষ আবার দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

শিক্ষা খাতে ব্যয় কমে ২০২৫ অর্থবছরে ৯৬২ বিলিয়ন রুপি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৩ শতাংশ কম। বিশেষ করে পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখোয়ায় শিক্ষা বাজেট উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে।

অবকাঠামোর দুর্বল চিত্রও উঠে এসেছে। দেশের মাত্র ৫৯ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সুবিধা রয়েছে। বেলুচিস্তানে এটি মাত্র ২১ শতাংশ, আর সেখানে টয়লেট সুবিধা প্রায় নেই বললেই চলে (০.৩ শতাংশ)।

সার্ভেতে বলা হয়েছে, বর্তমানে পাকিস্তানের সাক্ষরতার হার ৬৩ শতাংশ, নারীদের ক্ষেত্রে ৫৪ শতাংশ। এখনও প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিশু স্কুলের বাইরে রয়েছে।

প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, শিক্ষা খাতে টেকসই সংস্কার এবং আরও বিনিয়োগ না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ