• আজ- রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন

বিশ্ব বাবা দিবস আজ

রিপোর্টার: / ১৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক: ‘বাবা’, ‘ড্যাড’ বা ‘পাপা’—যেই নামেই ডাকুন না কেন, এই একটি শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে ভরসা, নিরাপত্তা আর নিঃশর্ত ভালোবাসা। সন্তানের প্রথম নায়ক, জীবনের কঠিন সময়ে নীরব শক্তি আর ছায়ার মতো পাশে থাকা মানুষটিই হলো বাবা।  ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও নির্ভরতার প্রতীক বাবাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বব্যাপী পালন করা হয় ‘বিশ্ব বাবা দিবস’।

আজ (২১ জুন) বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব বাবা দিবস। অনেকেই এদিন বাবাকে উপহার দেন, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ ও ভালোবাসার বার্তা প্রকাশ করেন।

বিশ্ব বাবা দিবসের যাত্রা শুরু হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯০৮ সালে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টে প্রথমবারের মতো বাবাদের স্মরণে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তবে দিবসটিকে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করে তোলার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল ওয়াশিংটনের বাসিন্দা সোনোরা স্মার্ট ডড-এর।

মায়ের মৃত্যুর পর তার বাবা উইলিয়াম জ্যাকসন স্মার্ট একাই ছয় সন্তানকে বড় করে তুলেছিলেন। বাবার সেই অসাধারণ ত্যাগ ও দায়িত্ববোধে অনুপ্রাণিত হয়ে ডড মনে করেন, মায়েদের জন্য যেমন একটি বিশেষ দিন রয়েছে, তেমনি বাবাদের জন্যও একটি দিন থাকা উচিত। তার উদ্যোগেই ১৯১০ সালের ১৯ জুন প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে বাবা দিবস পালন করা হয়।

এরপর ধীরে ধীরে দিবসটি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। ১৯১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বাবা দিবসকে জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়। ১৯২৪ সালে প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজ দিবসটি পালনের প্রতি সমর্থন জানান। পরে ১৯৬৬ সালে প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে বাবা দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা দেন। সবশেষে ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন আইনে স্বাক্ষরের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে বাবা দিবসকে স্থায়ী জাতীয় দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্ব বাবা দিবস পালিত হয়। যদিও কিছু দেশে নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির কারণে ভিন্ন তারিখে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

বছরজুড়ে বাবার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পেলেও, আজকের এই বিশেষ দিনটি যেন সন্তানকে মনে করিয়ে দেয় শত ব্যস্ততার মাঝেও বাবার হাতটি শক্ত করে ধরে বলা, ‘বাবা, তোমাকে অনেক ভালোবাসি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ