• আজ- বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন

‘করোনার টিকাই মেরে ফেলেছে শেন ওয়ার্নকে’

রিপোর্টার: / ৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা স্পিনার ছিলেন শেন ওয়ার্ন। অস্ট্রেলিয়ান এই  কিংবদন্তি ক্যারিয়ারে ১৪৫ টেস্টে অংশ নিয়ে ৭০৮ উইকেট শিকার করেন। শ্রীলংকার মুত্তিয়া মুরালিধরনের পর শেন ওয়ার্নই টেস্ট ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।

অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা ২০২২ সালে থাইল্যান্ডের কোহ সামুইতে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। তার আকস্মিক মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন ছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য।

শেন ওয়ার্নের মৃত্যুর পর ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছিল ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’। কিন্তু চার বছর পর শেন ওয়ার্নের ছেলে জ্যাকসন ওয়ার্ন দাবি, করছেন সরকারি নির্দেশে নেওয়া কোভিড-১৯ টিকার কারণেই মারা গেছেন তার বাবা।

সম্প্রতি ‘টু ওয়ার্ল্ডস কোলাইড’ নামক এক পডকাস্টে সাবেক সেনাসদস্য স্যাম ব্যামফোর্ডের মুখোমুখি হয়েছিলেন জ্যাকসন। সেখানে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়েছিল, শেন ওয়ার্নের মৃত্যুর পেছনে কি কোভিড টিকার কোনো ভূমিকা ছিল? জবাবে জ্যাকসন দ্বিধাহীন কণ্ঠে বলেন, ‘আমি নিশ্চিতভাবে মনে করি, টিকা এতে জড়িত ছিল। এখন এটা বলা মোটেও বিতর্কিত কোনো বিষয় নয়।’

জ্যাকসন আরও বলেন, ‘বাবার যদি আগে থেকে কোনো শারীরিক সমস্যা থেকেও থাকে, আমার ধারণা টিকা সেটাকে সরাসরি সামনে নিয়ে এসেছে। যেদিন খবরটা পেলাম, ফোন রাখার পরপরই প্রথম আমার মাথায় এসেছিল—এর জন্য সরকার দায়ী, এর জন্য কোভিড আর টিকা দায়ী।’

শেন ওয়ার্নের মৃত্যুর পর গুঞ্জন ছড়িয়েছিল থাল্যান্ডের পুলিশ তার ঘর থেকে কিছু ওষুধ সরিয়ে ফেলেছেন। এমনকি তার শরীরে ভায়াগ্রার (যৌন উত্তেজক ওষুধ) উপস্থিতিও মিলেছিল। কিন্তু জ্যাকসন মনে করেন, আসল কারণটা ছিল করোনার টিকা। তার ভাষ্যমতে, সরকারি নিয়মের কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই তিন-চারটি টিকা নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার এই কিংবদন্তি স্পিনার।

জ্যাকসন আরও বলেন, ‘রাজ্য স্মরণসভায় আমার বলতে ইচ্ছে করছিল—আমি এই সরকারকে দায়ী করি, আমি কোভিডকে দায়ী করি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বলিনি, সম্ভবত চুপ থাকাই তখন বুদ্ধিমানের কাজ ছিল। তবে আমার মনের অবস্থা তেমনই ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনলাইনে আছে, সবাই দেখতে পারে। বাবা তখন ভালোই ছিলেন, দেখতেও বেশ ঝরঝরে লাগছিল। হ্যাঁ, তিনি ধূমপান করতেন, মদ্যপান করতেন। কিন্তু আশির বা নব্বইয়ের দশকের কত মানুষই তো বাবার চেয়ে বেশি ধূমপান বা মদ্যপান করে এখনো বেঁচে আছেন।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ