
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার ধুলিহর ডিবি ইউনাইটেড প্রি-ক্যাডেট স্কুলের ছাত্রকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে স্কুল শিক্ষিকা রাবেয়া খাতুন।
সে ওই স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র মাহিম হোসেন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের কোমরপুর গ্রামের মহিনুর সরদারের পুত্র সে।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, সাতক্ষীরার ধুলিহর বাজারের ডিবি ইউনাইটেড প্রি-ক্যাডেট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর মেধাবী ছাত্র রাবেয়া খাতুনের ক্লাসে পড়া না হওয়ার কারণে স্কুল শিক্ষিকা বেত দিয়ে পিটিয়ে ২ হাত রক্তাক্ত জখন করে। শিশু বাচ্চা মাহিম হোসেন বাড়িতে এসে তার পরিবারের সাথে বললে তাৎক্ষণিক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ধূলিহার বাজারের ডাক্তার মফিজুল ইসলামের কাছে নিয়ে গেলে স্কুলছাত্রকে প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা দিয়ে ভালো উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরার চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার পরামর্শ দেন। যদিও ঘটনাটি গত ১৮ ফেব্রুয়ারির ঘটনা।
পরবর্তীতে কিছুদিন ঔষধ খাওয়ার পর কোন অবস্থার পরিবর্তন না হওয়ায় স্কুল ছাত্রের পরিবার সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালের ডাঃ আবুবক্কার মোঃ মামুন শরীফের কাছ থেকে চিকিৎসা নেন। ডাক্তার স্কুল ছাত্রকে দেখে হাত দুটো এক্সরে করে দেখেন যে তার ভেতরে ইনফেকশন হয়ে গেছে । কর্মরত চিকিৎসক অপারেশন করেছেন।
এ বিষয়ে স্কুল ছাত্র মাহিন এর কাছে জানতে চাইলে কান্না জড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের বলেন , আমার স্কুলে রাবেয়া ম্যাডামের সাবজেক্টের পড়া আমার হয়নি। সে কারণে ম্যাডাম আমাকে দুই হাতে বেত দিয়ে মেরে রক্তাক্ত যখন করেছে। আমি এখন এই হাত দিয়ে খাওয়া-দাওয়া সহ কোন কিছু করতে পারছিনা। আমি আর স্কুলে যাব না ,,, যদি যাই আবারও ম্যাডাম আমাকে মারবে ভয়ে কেদেঁ পড়েন।
এ বিষয়ে স্কুল ছাত্রের পরিবার ও স্থানীয়রা সাংবাদিকদের বলেন, এই ঘটনার পর থেকে ১১ দিন গত হলেও স্কুলের শিক্ষকরা আমাদের সাথে কোন সমাধানে আসেনি। আমরা এর আইনুগত ভাবে ন্যায্য বিচার চাই।
এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাই এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি ১ সপ্তাহ পরে। শুনে তাদের ভালো ডাক্তার দেখানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছিলাম।
এ বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চায়ের দোকান থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জে আওয়াজ শুনতে দেখা গেছে।
অন্যদিকে, দোষীদের আইনের আওতায় এনে প্রশাসনের উদ্ধতন কর্মকর্তার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ওই ছাত্রের পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল।