• আজ- সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন

সাতক্ষীরা-ভেটখালী সড়ক নির্মাণে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জমি ও স্থাপনা উচ্ছেদ বিষয়ে আকুতি

রিপোর্টার: / ৩২৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা টু ভেটখালী পর্যন্ত নির্মাণাধীন মহাসড়কের কাজে অতিরিক্ত জমি ও স্থাপনা উচ্ছেদের প্রতিবাদে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন জানিয়ে আসছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী এলাকাবাসীসহ জনপ্রতিনিধি। পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হতে পারে এমন আশঙ্কায় কালিগঞ্জ উপজেলার স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, প্রকল্পের মূল নকশায় যে পরিমাণ জমি ও সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে, তার বাইরে গিয়ে উচ্ছেদ হলে শতশত ব্যবসায়ী বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ, উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন দেওয়া হয়েছে। কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি আলাহাজ্ব শাহাদৎ হোসেনসহ একাধিক ব্যাক্তি মন্ত্রী পরিষদের সচিবসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে এ বিষয়ে আবেদন করেছেন।

আবেদনকারীরা বলেন, “মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প দেশের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রয়োজনের অতিরিক্ত জমি নিয়ে মানুষের ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলে সাধারণ মানুষের অপূরণীয় ক্ষতি হবে। সঠিক সীমানা অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করা হলে এমন ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না। অসংখ্য ভুমিহীনদের বসবাসের ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ না করার দাবী উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত এমন কিছু ব্যক্তি ইচ্ছেমতো অতিরিক্ত জায়গা দেখানোর চেষ্টা করছেন। এ নিয়ে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। কালিগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডসহ উভয় পারের শতশত ব্যবসায়ী হতাশার মধ্যদিয়ে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল সরানো কাজে ব্যস্ত আছে। দুঃচিন্তায় দিনাতিপাত করছে এই জনপদের ভুমিহীনরা।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, “নকশা অনুযায়ীই মহাসড়ক নির্মাণের কাজ চলবে। কারও ক্ষতিতে অতিরিক্ত উচ্ছেদ করা হবে না। প্রয়োজনে পুনরায় সীমানা পরিমাপ করে দেখা হবে।”

এলাকাবাসী আশা করছেন, সঠিক তদন্ত ও যাচাইয়ের মাধ্যমে বিষয়টি দ্রুত সমাধান হবে এবং নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী মহাসড়ক নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হবে।

 

 

 

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ