• আজ- বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা বড়বাজারে পুরোনো দোকানের গা ঘেঁষে বহুতল ভবন নির্মাণ: আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম সাতক্ষীরার ফিংড়িতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে বসতবাড়ি ভাঙচুর তালার সরুলিয়া ইউপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎসহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগ কালিগঞ্জে অস্ত্র মামলায় শীর্ষ ডাকাত ইয়ার আলীর ৭ দিনের রিমান্ড কালিগঞ্জে নলতা ডায়াবেটিক হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় মালিক ও চিকিৎসকের শাস্তি দাবি সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দালালচক্র: পান্না বেকারীর ছেলে দালাল মামুনকে ঘিরে বিতর্ক আশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ, জরিমানা: জনগনের মাঝে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি তালা সরুলিয়ায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় ডুমুরিয়ায় আশ্রয় প্রকল্পের ঘরে থাকা অসহায় মানুষেরা: মাটির নিচে চাপা পড়ে দূর্ঘটনার শঙ্কা

সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দালালচক্র: পান্না বেকারীর ছেলে দালাল মামুনকে ঘিরে বিতর্ক

রিপোর্টার: / ৯৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের নয়া দালাল কে এই আব্দুল্লাহ আল মামুন? সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুর এলাকার পান্না বেকারীর ছেলে সে।

সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকে কেন্দ্র করে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আর সেই আলোচনার প্রথম সারিতে আছে আব্দুল্লাহ আল মামুন।

স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এই চক্রের সঙ্গে শহরের মুনজিতপুর এলাকার পান্না বেকারীর ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে এক ব্যক্তি জড়িত রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, জমি রেজিস্ট্রির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে সরাসরি অফিসে গেলে নানা ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ব্যক্তির মাধ্যমে যেতে বাধ্য করা হয়। এতে করে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য হচ্ছেন।

একাধিক ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “আমরা সরাসরি অফিসে কাজ করতে গেলে নানা অজুহাতে ঘুরানো হয়। পরে দালালের মাধ্যমে গেলে দ্রুত কাজ হয়ে যায়, কিন্তু তার জন্য বাড়তি টাকা দিতে হয়।”

আরেক ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, “কিছু লোক অফিসের বাইরে বসে পুরো প্রক্রিয়াটা নিয়ন্ত্রণ করে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ না করলে কাজ করাই কঠিন হয়ে পড়ে।”

স্থানীয় সূত্রে আরও অভিযোগ রয়েছে, আব্দুল্লাহ আল মামুন দীর্ঘদিন ধরে রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন এলাকায় দালালি কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত। পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবনযাপন নিয়েও এলাকায় নানা নেতিবাচক আলোচনা রয়েছে বলে একাংশের দাবি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে সচেতন মহল বলছে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তবে এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ