• আজ- বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দালালচক্র: পান্না বেকারীর ছেলে দালাল মামুনকে ঘিরে বিতর্ক

রিপোর্টার: / ২৮৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের নয়া দালাল কে এই আব্দুল্লাহ আল মামুন? সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুর এলাকার পান্না বেকারীর ছেলে সে।

সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকে কেন্দ্র করে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আর সেই আলোচনার প্রথম সারিতে আছে আব্দুল্লাহ আল মামুন।

স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এই চক্রের সঙ্গে শহরের মুনজিতপুর এলাকার পান্না বেকারীর ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে এক ব্যক্তি জড়িত রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, জমি রেজিস্ট্রির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে সরাসরি অফিসে গেলে নানা ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ব্যক্তির মাধ্যমে যেতে বাধ্য করা হয়। এতে করে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য হচ্ছেন।

একাধিক ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “আমরা সরাসরি অফিসে কাজ করতে গেলে নানা অজুহাতে ঘুরানো হয়। পরে দালালের মাধ্যমে গেলে দ্রুত কাজ হয়ে যায়, কিন্তু তার জন্য বাড়তি টাকা দিতে হয়।”

আরেক ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, “কিছু লোক অফিসের বাইরে বসে পুরো প্রক্রিয়াটা নিয়ন্ত্রণ করে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ না করলে কাজ করাই কঠিন হয়ে পড়ে।”

স্থানীয় সূত্রে আরও অভিযোগ রয়েছে, আব্দুল্লাহ আল মামুন দীর্ঘদিন ধরে রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন এলাকায় দালালি কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত। পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবনযাপন নিয়েও এলাকায় নানা নেতিবাচক আলোচনা রয়েছে বলে একাংশের দাবি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে সচেতন মহল বলছে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তবে এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ