• আজ- শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন খুলনায় যমজ কন্যা হত্যা মামলায় মায়ের যাবজ্জীবন ভারতে মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ হাম ও উপসর্গে আরও ১২ শিশুর প্রাণ গেল, মোট মৃত্যু ৪৫১ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সাফল্য চায় বিএনপি গরম নিয়ে আবহাওয়া অফিসের দুঃসংবাদ হালাল হলেও পশুর যেসব অংশ খেতে অপছন্দ করতেন নবীজি (সা.) মাত্র একটি ওষুধে বাঁচতে পারতেন ম্যারাডোনা, মৃত্যু মামলায় সাক্ষীর বিস্ফোরক সাক্ষ্য অবসর ভেঙে ওয়ানডেতে ফেরার প্রস্তাব পেয়ে যা বললেন মুশফিক যুদ্ধের সময় ‘লুকিয়ে’ আমিরাত যান ইসরাইলের দুই গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান

মাত্র একটি ওষুধে বাঁচতে পারতেন ম্যারাডোনা, মৃত্যু মামলায় সাক্ষীর বিস্ফোরক সাক্ষ্য

রিপোর্টার: / ১৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক: ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু মামলার বিচারে বৃহস্পতিবার সাক্ষ্য দিয়েছেন তার কাছের একজন চিকিৎসক। তিনি জানিয়েছেন, একটি সাধারণ মূত্রবর্ধক ওষুধ দিলে ম্যারাডোনার শারীরিক অবস্থা মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো হতে পারত।

২০০০-এর দশকের শুরুতে ম্যারাডোনার চিকিৎসা করা এবং ২০২০ সালে তার ময়নাতদন্তে উপস্থিত থাকা ডা. মারিও শিটার বলেন, ‘প্রায় ৪৮ ঘণ্টায় তার অবস্থার স্পষ্ট উন্নতি হতো।’ শেষ দিনগুলোতে ম্যারাডোনার মৃত্যু কীভাবে ঠেকানো যেত, এই প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

এই নিবিড় পরিচর্যা বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, ‘প্রতিদিনই আমি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে এ ধরনের রোগী দেখি, যারা কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলার নিয়ে আসেন। আমরা তাদের মূত্রবর্ধক ওষুধ দিই, শরীর থেকে অতিরিক্ত তরল বের করি এবং ১২ ঘণ্টার মধ্যে তারা বাড়ি ফিরে যেতে পারেন।’

সান ইসিদ্রোতে চলমান এই মামলায় সাত স্বাস্থ্যকর্মী চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি। দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের সর্বোচ্চ ২৫ বছর কারাদণ্ড হতে পারে। জুলাই পর্যন্ত এই বিচার চলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শিটারের আগে আরও বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য দিয়ে জানিয়েছেন, ম্যারাডোনার মৃত্যুর সময় তার একাধিক অঙ্গে অতিরিক্ত তরল জমে ছিল। গত বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তে অংশ নেওয়া আরেক চিকিৎসক কার্লোস কাসিনেল্লি বলেন, ‘তার শরীরে সর্বত্র পানি জমেছিল।’

এই লিটার লিটার তরল ‘এক সপ্তাহ বা দশ দিনের কম সময়ে’ জমার কথা নয় বলেও জানান তিনি, যা ইঙ্গিত করে যে চিকিৎসকদের এই ফোলাভাব আগেই লক্ষ্য করা উচিত ছিল।

১৯৮৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতানো এই কিংবদন্তি ২০২০ সালে বুয়েনোস আইরেসের উত্তরে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকার সময় পালমোনারি ইডিমা ও হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে ৬০ বছর বয়সে মারা যান। অস্ত্রোপচারের পর ঘরোয়া হাসপাতালে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি নিজেই। শিটার সেই সময় এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ