• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

খুলনায় যমজ কন্যা হত্যা মামলায় মায়ের যাবজ্জীবন

রিপোর্টার: / ১২১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

খুলনা প্রতিনিধি: খুলনার তেরখাদায় আলোচিত যমজ কন্যাশিশু হত্যা মামলায় মা কানিজ ফাতেমা কনাকে (২৮) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার খুলনার বিভাগীয় দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইমাম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত কনা তেরখাদা উপজেলার কুশলা গ্রামের শেখ খাইরুজ্জামান ওরফে খায়েরের মেয়ে।

আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মো. মাজাহারুল ইসলাম জানান, ২০১৮ সালে বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার বাসিন্দা মোল্লা আবু বকরের ছেলে মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে কনার বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর মোল্লাহাটের একটি ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে কনার গর্ভে যমজ কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। সন্তান জন্মের পর কনা বাবার বাড়িতে চলে আসেন। পরে তিনি স্বামীকে বারবার ফোন করে শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করতেন। তবে স্বামী মাসুম বিল্লাহ তাকে পরে নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে কনা মোবাইল ফোনে তার ছোট বোনকে জানান, দুই শিশুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিন ভোরে বাড়ির পারিবারিক পুকুর থেকে যমজ দুই শিশুর মরদেহ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর নিহত শিশুদের বাবা মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে তেরখাদা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ