
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কাটিয়া এলাকায় প্রথম স্ত্রীর অনৈতিক কর্মকান্ডে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে- এমন অভিযোগ উঠেছে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরার কাটিয়া এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম টুটুল তার প্রথম স্ত্রী সুমাইয়া খাতুনের বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করায় পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। গত ১৪ জানুয়ারী ঘটনার একপর্যায়ে প্রথম স্ত্রী ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে স্বামীকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তিনি এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় আহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কাটিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। যার মামলা নং-১১, তাং-১১/০১/২০২৬। মামলা দায়েরের পরপরই ফেসবুকে বিভিন্ন আইডি ও পেজ থেকে ঘটনার প্রকৃত তথ্য আড়াল করে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কোথাও ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করা হচ্ছে, আবার কোথাও মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে।
ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, এসব অপপ্রচার তাদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি মামলার ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তারা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার এবং অনলাইনে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার এক কর্মকর্তা বলেন, কুপিয়ে আহতের ঘটনায় একটি মামলা রেকর্ড হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ মিথ্যা বা উসকানিমূলক তথ্য ছড়ালে সেগুলোকেও আইনের আওতায় আনা হবে।