• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

খুলনা বিভাগ বিএনপির একমাত্র নারী প্রার্থী সাবিরা মুন্নী

রিপোর্টার: / ১৪১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫

যশোর প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগের ৩৫টি আসনের ২৬টিতে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। ওই তালিকায় একমাত্র নারী প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য, ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরা সুলতানা মুন্নী (সাবিরা নাজমুল মুন্নী)।

জানা গেছে, যশোর জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ব্যবসায়ী নাজমুল ইসলাম ২০১১ সালে ঢাকা থেকে অপহরণের পর খুন হন। স্বামীর মৃত্যুর পর গৃহিণী থেকে রাজনীতিতে সক্রিয় হন সাবিরা নাজমুল মুন্নী। ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নিয়ে ত্রিশ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। দলের সংকটকালে রাজপথেও সোচ্চার ছিলেন। হামলা, মামলা, জেল জুলুম উপেক্ষা করে দলকে সংগঠিত করেছেন। দল তাকে মূল্যায়ন করেছে।

এদিকে, এই আসনে জামায়াত ইসলাম মনোনীত প্রার্থী শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ মাঠে রয়েছেন। তিনি জোরেশোরে ভোটের মাঠ গোছাচ্ছেন। এই আসনে বিএনপির শরিক চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসাবে ২০০১ সালে বিজয়ী হয়েছিলেন জামায়াতের আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদাৎ হুসাইন। পরবর্তীতে ২০০৮ ও ২০১৮ সালে জোটের প্রার্থী ছিলেন জামায়াতের আবু সাঈদ। এবার দীর্ঘদিনের মিত্র জামায়াতের প্রার্থীর মুখোমুখি সাবিরা মুন্নী।

সাবিরা মুন্নী বলেন, প্রত্যাশার প্রথম ধাপ পূরণ হয়েছে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের মাধ্যমে প্রত্যাশার চূড়ান্ত পর্ব সমাপ্ত হবে। স্বামীর মৃত্যুর পর আমি ঝিকরগাছা ও চৌগাছার সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সামনে এগিয়েছি। উপজেলা বিএনপির সম্মেলনের নেতাদের বিপুল ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি। জনপ্রতিনিধি ও সংগঠনের সভাপতি হিসাবে সাধারণ মানুষের দোরগাড়ায় পৌঁছেছি। জনগণের সঙ্গে জনপ্রতিনিধির আত্মার সম্পর্ক থাকতে হয়। আমি সেটি করতে পেরেছি। মানুষের কল্যাণে কাজ করেছি। তিনি বলেন, আমার সংসদীয় আসনে অর্ধেকের বেশি নারী ভোটার। নারীর অধিকার আদায়ে অনেক কাজ করেছি। নারীরা তাদের পছন্দের প্রার্থী হিসাবে আমাকেই নির্বাচিত করবে। নারীদের দক্ষতা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে কাজ করব।

মনোনয়ন বঞ্চিতদের প্রসঙ্গে সাবিরা মুন্নী বলেন, বিএনপি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। এখানে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা আছে। সবার আকাঙ্ক্ষা ছিল দলীয় মনোনয়ন। সবাইকে মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ নেই। একজনকেই মনোনীত করতে হবে। যারা বিএনপিকে ধারণ করেন, তার দলের সিদ্ধান্তই মেনে নেবেন। মনোনয়ন চূড়ান্তের আগেই আমরা অঙ্গীকার করেছি, দল যাকে মনোনীত করবে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষকে বিজয়ী করব। সাময়িক মন খারাপ হলেও সবাই ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ