• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থেকেও মামলার আসামি হলেন সাতক্ষীরার এক সাংবাদিক

রিপোর্টার: / ২৯৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া রেজিস্ট্রি অফিসপাড়া এলাকায় চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে ভিন্নভাবে মামলা দায়ের করার অভিযোগ উঠেছে। ওই মামলায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থেকেও স্থানীয় এক সাংবাদিক ও তাঁর ভাইকে আসামি করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সাতক্ষীরা সদর থানায় এ মামলাটি হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন, সাংবাদিক আব্দুর রহমান ও তাঁর বড় ভাই রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় আরও তিনজন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক মহল ও এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ ডিসেম্বর ভোরে কাটিয়া অফিসপাড়া এলাকার বাসিন্দা কওছার আলী সাংবাদিক আব্দুর রহমানের বড় ভাই রফিকুল ইসলামের বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে কচু ও কলা চুরির চেষ্টা করেন। এ সময় রফিকুল ইসলামের স্ত্রী নূর জাহান বিষয়টি টের পেয়ে প্রশ্ন করলে কওছার আলী ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে ধাক্কা দেন।

ঘটনাটি দেখে স্থানীয়রা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে চুরির মালামালসহ আটক করে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ ফোন দেন। তবে পুলিশের উপস্থিতির আগেই কৌশলে পালিয়ে যান কওছার আলী। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন।

অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও তা আমলে না নিয়ে চুরির ঘটনাকে আড়াল করে মারপিট দেখিয়ে মামলাটি রেকর্ড করা হয়। ওই মামলায় চার ও পাঁচ নম্বর আসামি হিসেবে সাংবাদিক আব্দুর রহমান ও তাঁর ভাই রফিকুল ইসলামকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যদিও তাঁরা ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন না। চুরির ঘটনার খবর পেয়ে পরে সেখানে যান বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, প্রকৃত অভিযুক্ত কওছার আলীর বিরুদ্ধে মামলা না নিয়ে তাঁর মা ফরিদা বেগমকে বাদী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত ছাড়াই এভাবে মামলা নেওয়ায় প্রকৃত ঘটনা আড়াল হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন।।

কাটিয়া এলাকার বাসিন্দা বিপ্লব হোসেন বলেন, কওছার আলীর বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক চুরির অভিযোগ রয়েছে। তাঁর আচরণে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে অতিষ্ঠ।

এ বিষয়ে কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পিংকু মণ্ডল বলেন, অভিযোগ পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং এক নারী আহত অবস্থায় ছিলেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে মামলা গ্রহণ করা হয় এবং তিনি ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, তিনি মিটিংয়ে আছেন, পরে কথা বলবেন।

এদিকে, তদন্ত ছাড়াই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ার ঘটনায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং তদন্ত পূর্বক প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ