• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

একাত্তরই বাংলাদেশের অস্তিত্ব: মির্জা ফখরুল

রিপোর্টার: / ৯২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা ১৯৭১ সালকে সবসময় মাথা উঁচু করে রাখতে চাই, কারণ ওই লড়াইয়ের মধ্যেই বাংলাদেশের অস্তিত্ব নিহিত।

সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের বিডি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী গণসংযোগে এ কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, পাকিস্তান আমাদের ওপর অনেক অত্যাচার করত। এ কারণেই আমরা আলাদা হয়ে গিয়েছিলাম। আলাদা হয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলাম। আর সে সময় যারা পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করেছে, আমাদের হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছিল, তারাই আবার ভোট চাইছে দেশ চালাবে। তাদেরকে ভোট দিয়ে কি দেশের সর্বনাশ করব? যে দলটা দেশকেই বিশ্বাস করে না, স্বাধীনতাকেই বিশ্বাস করে না, তাদের ভোট দিয়ে দেশের সর্বনাশ করব নাকি? এটা বুঝতে হবে। আমরা ১৯৭১ সালকে সব সময় মাথায় তুলে রাখতে চাই, কারণ সেটাতেই আমাদের অস্তিত্ব, বাংলাদেশের অস্তিত্ব।

হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, হিন্দু ভাইয়েরা কথা বলতে ভয় পান—কেউ তাদের ওপর অত্যাচার করবে কি না। আপনাদের পরিষ্কার বলতে চাই—আপনারা সংখ্যালঘু নন। আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলে গেছেন, এই দেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই; আমরা সবাই বাংলাদেশি। সবার অধিকার সমান। তাই বুক ফুলিয়ে দাঁড়ান, আমার ভাইয়েরা সবসময় আপনাদের পাশে থাকবে। আমি কথা দিচ্ছি, বিএনপি সবার অধিকার রক্ষা করবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আগে লড়াই হতো নৌকা আর ধানের শীষের মধ্যে। এখন সেই নৌকা নেই। নৌকার যিনি কাণ্ডারি, আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তিনি আপনাদের ফেলে ভারতে চলে গেছেন। তিনি এখন দিল্লিতে বসে আছেন। তিনি দেশে থাকলে অন্তত একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হতো।

মির্জা ফখরুল আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, এখন নৌকাটা নাই। একটা নতুন মার্কা আমাদের সামনে আসছে। এটিই আমার শেষ নির্বাচন। আমি আপনাদের কাছে জীবনের শেষ সময়ে এসেছি, এবার আপনারা আমাকে একটা সুযোগ দেবেন। আমরা মানুষের শিরার ভেতর মিশে থেকে কাজ করতে চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ