• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে নিয়োগ পরীক্ষার খাতা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

রিপোর্টার: / ৯২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক: ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে একটি কারিগরি কলেজের নিয়োগ পরীক্ষার সব নথি ও খাতা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত নেতার নাম জামাল উদ্দীন। তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের ভেতরে এ নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, এদিন হরিপুর মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের ‘আয়া’ ও ‘পরিচ্ছন্নতা কর্মী’ পদে নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় মোট আট প্রার্থী অংশ নেন। পরীক্ষা শেষে ফলাফল যাচাই ও মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কলেজের অধ্যক্ষ ও নিয়োগ বোর্ডের সদস্যরা ইউএনও রায়হানুল ইসলামের কক্ষে অবস্থান করছিলেন।

 

ঘটনার পর কলেজের অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, ‘পরীক্ষা শেষে আমরা ইউএনওর রুমে বসে নথিপত্র দেখছিলাম। হঠাৎ বিএনপি নেতা জামাল ও তার লোকজন রুমে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় এবং আমাদের হাত থেকে নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র ও খাতা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। আমরা এখন আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানায় অবস্থান করছি।’

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ইউএনও রায়হানুল বলেন, ‘যথাযথ নিয়ম মেনে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছিল। নিরীক্ষক দল আমার কক্ষে বসে মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এমন সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও তার অনুসারীরা রুমে ঢুকে একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং জোরপূর্বক সবার কাছ থেকে পরীক্ষার খাতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’

 

অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল বলেন, ‘আমরা কোনো কাগজপত্র ছিনিয়ে আনিনি। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আওয়ামী লীগের লোকজনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। সেখানে আওয়ামী লীগের কর্মীদেরই নিয়োগ দেওয়া হচ্ছিল। আমাদের ছেলেরা এর প্রতিবাদ করতে গেলে ইউএনও তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। মূলত ইউএনও জামায়াতের লোক হওয়ার কারণেই আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন।’

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। হরিপুর থানার ওসি আবদুল হাকিম আজাদ বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ