• আজ- শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫১ অপরাহ্ন

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

রিপোর্টার: / ৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক: দেশের শিক্ষাব্যবস্থা থেকে কোচিং বাণিজ্য নির্মূল করতে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, কোচিং বাণিজ্যের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান শক্ত। শুধু বৃত্তি না, সার্বিকভাবে কোচিং আমাদের সমাজে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে। এটি একটি বড় সমস্যা।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পাড়াডগার মান্নান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, কোচিং নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বেশ কিছু ইনোভেশন বা পলিসি চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে খুব শিগগির পাইলটিং শুরু হবে। তবে প্রাথমিক বৃত্তি সংক্রান্ত কোচিং নিয়ে এখনো বড় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা, কত শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং বৃত্তির পরিমাণ কত হবে তা পুনর্বিবেচনা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি বলেন, বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পাঠ্যক্রমে উৎসাহিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার এই প্রক্রিয়া আমরা বাদ দিতে চাই না। তাই আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরই বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিই এবং বাস্তবায়ন করি। আগামী বছরগুলোতে সঠিক সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্কুলের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সরকার অনেকগুলো উন্নয়ন প্রকল্প যেমন— দৃষ্টিনন্দন প্রজেক্ট এবং পিডিপি ফাইভ হাতে নিয়েছে, যার মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষ বৃদ্ধি, ওয়াশরুম নির্মাণ, ডিজাইন পরিবর্তন এবং ফার্নিচার পরিবর্তনের মতো বড় কাজ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, গত কয়েকদিন ধরে আমি, সচিব এবং মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেছি। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় সঠিক সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করে সন্তোষজনক চিত্র পাওয়া গেছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ