• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী

রিপোর্টার: / ২১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

ফয়জুল হক বাবু: ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সাধারণ গ্রেডে মেধাবৃত্তি পেয়েছে সাতক্ষীরার ধুলিহর ব্রহ্মরাজপুর সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো মানবিক বিভাগের ঋক মিল্লক এবং বাণিজ্য বিভাগের সিদ্ধার্থ দে ও সুমি পাল।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়টি থেকে সাতজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। তাদের মধ্যে ছয়জন গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাশাপাশি তিন শিক্ষার্থী সাধারণ গ্রেডে মেধাবৃত্তি অর্জন করায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে।

মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী সিদ্ধার্থ দে জানায়, মেধাবৃত্তি পেয়ে সে অত্যন্ত আনন্দিত। এ সাফল্যের পেছনে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে সে। সিদ্ধার্থের ভাষ্য, বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস ও শিক্ষকদের আন্তরিক পাঠদানের কারণেই ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

আরেক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী সুমি পাল জানায়, তাদের বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার মান ভালো এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বেশি। শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতার পাশাপাশি নিজের নিয়মিত প্রচেষ্টার ফলেই সে এ সাফল্য অর্জন করেছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছে সুমি পাল।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান জানান, তিনি ২০০৯ সালে এ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। তখন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২৫০ জন। বর্তমানে এ সংখ্যা বেড়ে ছয় শতাধিক হয়েছে। যোগদানের পর থেকে শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার ৮০ শতাংশের বেশি ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয় থেকে তিন শিক্ষার্থীর সাধারণ গ্রেডে মেধাবৃত্তি অর্জন বিদ্যালয়ের জন্য আনন্দের বিষয়। আগামী বছরগুলোতে শিক্ষার্থীরা আরও ভালো ফলাফল করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ