• আজ- শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
আশাশুনির মহেশ্বরকাটি মৎস্য সেটে ব্যবসায়ীর টাকা লোপাট দেবহাটা ও আশাশুনির শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন সাতক্ষীরার জাহানাবাজে ঘোড়দৌড় দেখতে গিয়ে মোটরসাইকেল চুরি কালিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা দাবি ট্রান্সফরমার চুরির ১৫ মাস পরও বিদ্যুৎহীন স্কুল দাবদাহে কষ্টে শিক্ষার্থীরা: জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ, উদ্বোধনী ম্যাচে লড়বে মেক্সিকো-দ. আফ্রিকা ওমান উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, মার্কিন কূটনীতিককে তলব ভারতের হরমুজে দুই জাহাজে ইরানের হামলা সুন্দরবনের উপকূলে নদীপথে বিএসএফ’র পুশইন চেষ্টা: রুখে দিল বিজিবি

চাঁদাবাজদের হামলায় সড়কেই ঢলে পড়লেন পুলিশ কর্মকর্তা শামিম

রিপোর্টার: / ১৩৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫

অনলাইন রিপোর্ট: সড়কে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার হয়েছেন নরসিংদীর অতিরিক্ত সহকারী পুলিশ সুপার শামিম আনোয়ার। এতে শামিম আনোয়ার গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে নরসিংদী পৌর শহরের আরশিনগরে এ ঘটনা ঘটে।

পরে তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহত শামিম আনোয়ার বলেন, সকালে নরসিংদী পৌর শহরে নিয়মিত টহল চলছিল। আমি আরশিনগর এলাকা ক্রস করছিলাম। ওই সময় দুজন লোক যানবাহন থেকে টাকা তুলছিল। আমি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলাম কিসের টাকা তোলা হচ্ছে। টাকা তুলতে তো হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা আছে বলে জানালাম। এরই মধ্যে ৩০/৩৫ জন লোক অতর্কিতভাবে আমার ওপর হামলা চালায়। তারা আমাকে কিল-ঘুষি মারা শুরু করে। পরে আমাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। আমি সঙ্গে সঙ্গে অচেতন হয়ে পড়ে যাই। পরে সঙ্গে থাকা পুলিশ সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। আমি চোখ খুলে দেখি আমি হাসপাতালে। এখানে প্রাথমিক‘ চিকিৎসা দিয়ে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

গত কয়েদিন আগে নরসিংদী সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন। এরপর থেকে বিভিন্ন প্রতিকূলতার শিকার হতে হয় এবং নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। একই সঙ্গে তার ওপর যে কোনো সময় হামলার আশঙ্কার কথাও জানান।

পৌরসভার সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ডের ইজারাদার মো. আলমগীর বলেন, আমি পৌরসভা থেকে ২৫ লক্ষ টাকায় স্ট্যান্ডের ইজারা নিয়েছি। কিন্তু অতিরিক্ত সহকারী পুলিশ সুপার শামিম আনোয়ার প্রায়ই ইজারার টাকা তুলতে বাধা দেয়। এর আগেও আমাদের দুজন লোককে ধরে নিয়ে জেলে পাঠিয়েছিল। আজকেও আরশীনগর এলাকায় গিয়ে আমাদের লোকজনকে আটক করছিল। এখন আমরা বৈধভাবে ইজারা নিয়ে কাজ করছি। আমাদের যদি কাজ করতে না দেয়, তাহলে সরকারকে দেওয়া ২৫ লক্ষ টাকা আমাদের ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

এদিকে অতিরিক্ত সহকারী পুলিশ সুপার শামিম আনোয়ারের ওপর হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ