• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের অনিয়ম ও দালাল চক্রের দৌরাত্ব বৃদ্ধি: কোন প্রতিকার নেই

রিপোর্টার: / ১১৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা পাসপোর্ট অফিস যেন অনিয়ম, দূর্নীতি ও স্বেচ্চাচারিতার দূর্গে পরিণত হয়েছে।
ওই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ্যদিন ধরে দালাল দ্বারা পরিবেষ্ঠিত হয়ে পরিচালিত হচ্ছে।এসব বিষয়ে কর্মকর্তা কখনো নিজে দায় না নিয়ে বরং পুরোটাই অস্বীকার করে আসছেন।এখানে জেলা প্রশাসনের কিছু দায়বদ্ধতা থাকলেও তেমন কান মুখ নাড়েন না।তাই,সিন্ডিকেট বেসামাল।

প্রাপ্ত তথ্য ও খোঁজখবর নিয়ে জানা যায, ওই পাসপোর্ট অফিসটিতে জনসেবা মূলক অফিস হিসেবে কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কিন্তু, সাধারন বিষয়টি জড়িল করে তুলে কতিপয় দায়িত্বশীল কর্মচারিরা প্রতিষ্ঠানটির স্বনাম নষ্ট করতে উঠেপড়ে লেগেছে। কেউ পাসপোর্ট করেন প্রতিবেশি রাষ্ট্রে চিকিৎসার জন্য।কেউ বা প্রবাসী হওয়ার জন্য পাসপোর্ট করে থাকেন।আবার , কেউ কেউ নবায়ন করতে ওই পাসপোর্ট অফিসে নিয়মিত ধর্না দেন।কিন্তু, প্রতিটি ক্ষেত্রে কমবেশি সবাই হয়রানী ও অর্থ তছরুপের শিকার হচ্ছেন বলে অফিযোগ উঠেছে।

সূত্রমতে, সরকার প্রতিটি সাধারণ পাসপোর্ট ফ্রিস ৫’ হাজার ৮০০ টাকা নির্ধারিত করে দিলেও চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কিছু অসাধু চক্রের সদস্যরা তেলেসমাতি কান্ড করে সাধারণ মানুষকে নিয়মিত হয়রানি করে আসছে।

এই চক্রটি পাসপোর্টের নিয়ম অনুযায়ী প্রথমের কাগজ পত্র চাইবে,,বিবাহিত হলে কাবিন দেন,বাবা মৃত হলে মৃত্যু সার্টিফিকেট দেন,, বেঁচে থাকলে আইডি কার্ড দেন, দিতে ব্যার্থ হলে, নিশ্চয়ই পাসপোর্ট না হওয়ার কথা?  কিন্তু এখান থেকে নিরাশ হয়ে কেউ ফিরে আসেনি। বরং এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারি প্রথমে পাঠিযে দেন বাইরের নির্ধারিত কম্পিউটারের দোকানে।

সেই দোকানে গেলেই অতিরিক্ত ২ হাজার টাকা দিলে সব নিয়ম শেষ হয়ে যায়। অর্থাৎ আর কাগজ পাতির দরকার শেষ। কিছু লাগলেও ওই ২ হাজার টাকায় সব ঠিক হযে যায়। শুধু কি তাই, ওই অফিসের আনসার সদস্য ও পিয়নদের একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় আছে। তারাও ১ ‘ হাজার টাকায় প্রতিনিয়ত দুই চারটে পাসপোর্টের আবেদন হাতে ধরে অতিরিক্ত আয়ের ধান্দা করে চলেছেন।

ইতোপূর্বে, বেশ কয়েকবার ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হলেও অনিয়ম, দূর্নীতির লাগাম টানা যায়নি। আবার, জেলা পাসপোর্ট আঞ্চলিক অফিসের অনিয়ম বিষয়ে অনেক বার রিপোর্ট প্রকাশিত হলেও সময়ের তালে তালে যেই সেই অবস্হায় ফিরে এসেছে।

সচেতন মহল, জেলা পাসপোর্ট অফিসের অনিয়ম, দূর্নীতি ও দালাল চক্রের দৌরাত্বের রাস টেনে ধরতে জেলা প্রশাসক ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দার বিশেষ হস্তোক্ষেপ কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ