• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

জামায়াতসহ ৮ দলের মিছিল আটকে দিল পুলিশ

রিপোর্টার: / ১৩০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারিসহ পাঁচ দফা দাবিতে স্মারকলিপি নিয়ে যমুনা অভিমুখে রওনা হওয়া মিছিল রাজধানীর মৎস্য ভবন মোড়ে আটকে দিয়েছে পুলিশ।

তবে স্মারকলিপি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে যাচ্ছেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। প্রতিনিধি দলে রয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপার) সহসভাপতি রাশেদ প্রধান।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় পল্টন মোড় থেকে প্রেসক্লাব হয়ে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর মিছিল শুরু হয়। এ সময় নভেম্বরে গণভোটসহ বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দেন তারা।

ঘোষণা অনুযায়ী রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে মিছিল নিয়ে পুরানা পল্টনে মিলিত হন জামায়াতসহ আন্দোলনরত আটটি ইসলামী দলের নেতাকর্মীরা। পল্টনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে তারা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাত্রা করেন।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টার পর থেকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বিভিন্ন এলাকা থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা দলে দলে মিছিল নিয়ে তারা শাপলা চত্বর অভিমুখে আসতে থাকেন। পরে তারা পুরানা পল্টনে অন্য দলগুলোর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হন।

পাঁচ দফা দাবি হলো

১. জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি এবং ওই আদেশের ওপর নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজন।

২. আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে বা উচ্চকক্ষে পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতি চালু।

৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।

৪. বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।

৫. জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।

ইসলামী আট দল হলো জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।

 

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ