• আজ- শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
আশাশুনির মহেশ্বরকাটি মৎস্য সেটে ব্যবসায়ীর টাকা লোপাট দেবহাটা ও আশাশুনির শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন সাতক্ষীরার জাহানাবাজে ঘোড়দৌড় দেখতে গিয়ে মোটরসাইকেল চুরি কালিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা দাবি ট্রান্সফরমার চুরির ১৫ মাস পরও বিদ্যুৎহীন স্কুল দাবদাহে কষ্টে শিক্ষার্থীরা: জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ, উদ্বোধনী ম্যাচে লড়বে মেক্সিকো-দ. আফ্রিকা ওমান উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, মার্কিন কূটনীতিককে তলব ভারতের হরমুজে দুই জাহাজে ইরানের হামলা সুন্দরবনের উপকূলে নদীপথে বিএসএফ’র পুশইন চেষ্টা: রুখে দিল বিজিবি

নারী দিয়ে ফাঁদ পেতে ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে অর্থ আদায়, প্রশাসনের নাকের ডগায় সক্রিয় একাধিক হানি ট্র্যাপ চক্র

রিপোর্টার: / ২২৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের এক ব্যবসায়ীকে ফাঁদ পেতে ডেকে নিয়ে জিম্মি করে টাকা অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ০৪ অক্টোবর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের পাশের একটি ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে।
এঘটনায় ভুক্তভোগী ভোমরা পশ্চিমপাড়া এলাকার মোঃ ইব্রাহিম গাজীর ছেলে মনিরুল ইসলাম (৪১) বাদী হয়ে অভিযুক্ত হানিট্র্যাপ চক্রের সক্রিয় নারী সদস্য শারমিন সুলতানা খুকি (৩০) সহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে লিখিত এজাহার দিয়েছেন।

শারমিন সুলতানা ভোমরা পশ্চিমপাড়া এলাকার মোঃ আসাদুল ইসলামের মেয়ে। পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় পর দিন ০৫ অক্টোবর এজাহারটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করেছে (সাতক্ষীরা থানার মামলা নং-০১, তারিখ-০৫.১০.২৫)। অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে এই ধরনের প্রায় ২০টির মতো অভিযোগ ও মামলা আছে বলে নিশ্চিত করেছেন এলাকাবাসী।

মামলা ও ভুক্তভোগীরা জানান, অভিযুক্ত নারী তার প্রতিবেশী ও পূর্ব পরিচিত। ঘটনার দিন ভুক্তভোগী তার ব্যক্তিগত কাজে শহরে আসেন। এর কিছুক্ষন পর অভিযুক্ত ওই নারী তাকে জানায়, অভিভাবক না থাকায় তারা ভাড়া বাসার মালিক ভাড়া দিতে চাচ্ছে না।

এসময় মানবিক কারনে ও পূর্ব পরিচিত হওয়ায় সে বাড়ির মালিকের সাথে অভিভাবক হিসেবে কথা বলতে ওই বাড়িতে যায়। বাড়িতে প্রবেশ করতেই আগে েেথকে ওৎপেতে থাকা সংঘবদ্ধ চক্রের ৭/৮ জন তাকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে উলঙ্গ করে ভিডিও ধারন করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। চক্রটি ব্যবসায়ীর গোপন পকেটে থাকা ১ লক্ষ টাকা নিয়ে নেয় এবং মারপিট করতে থাকে আরো টাকার জন্য। মারধর থেকে বাঁচতে বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগী মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশের মাধ্যমে আরো ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে সেখান থেকে মুক্তি পায়।

ভুক্তভোগী আরো জানান, এজাহার জমা দেওয়ার সময় ওই নারী ছাড়া আর কাউকে না চেনায় কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি। পরবর্তীতে চক্রের একজনের সন্ধান পেয়ে তার ছবি ও নাম ঠিকানা দেওয়া হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক সোহেল রানা মূল অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান চলমান রেখেছেন। ভুক্তভোগীর সনাক্ত করা অভিযুক্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে জানান, বাদী সঠিক না অনুমান করেছেন তা বোঝা যাচ্ছে না। তবে তদন্ত চলমান আছে।

এদিকে একাধিক সূত্র জানায়, শহরে একাধিক হানিট্র্যাপ চক্র সক্রিয় আছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে তারা নারী দিয়ে বিভিন্ন মানুষকে ডেকে নিয়ে উলঙ্গ করে ভিডিও করে তা ছড়িয়ে দেওয়া ভয় দেখিয়ে ও জিম্মি করে অর্থ আদায় কওে থাকে।

এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে উত্তর কাটিয়া এলাকার আরেকটি ঘটনায় হানিট্র্যাপ চক্রের নারী সদস্য উত্তর কাটিয়া এলাকার আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী ও সাতক্ষীরা সদরের তুজুলপুরের মিজানুর রহমানের মেয়ে মনজিলা খাতুন (৩৬) কে আটক করে পুলিশ।

তবে ওই ঘটনায় নারী আটক হলেও মামলার আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে ও তাদের কার্যক্রম চলমান আছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (উপ-পরিদর্শক) পিংকু মন্ডলের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ছুটিতে ছিলাম কাল থেকে অভিযান পরিচালনা করবো।

 

 

 

 

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ