• আজ- শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরায় তিন মরদেহ উদ্ধার সাতক্ষীরার ব্রহ্মরাজপুরে সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা সবুজ ক্যাম্পা্স গড়তে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল চত্বরে ২৮২টি গাছের চারা রোপণ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১০০০তম ম্যাচের সাক্ষী হতে যাচ্ছে কোন দুই দেশ কখন ও কীভাবে টিভি-মোবাইলে দেখবেন ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচ সবার আগে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা আসলে কত? যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের আগ্রাসন: ঐতিহাসিক চুক্তিতে ইরানের বিজয় ইরানে হিজাববিহীন গান গাওয়ার অপরাধে গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ

সাতক্ষীরায় তিন মরদেহ উদ্ধার

রিপোর্টার: / ৪৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার সদর, কলারোয়া ও আশাশুনি উপজেলার পৃথক তিনটি স্থান থেকে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনটি ঘটনার মধ্যে একটি আত্মহত্যা, একটি হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ এবং অপরটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর বেড়বাড়ি গ্রামে নিজ ঘরের ভেতর গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় অমিত হাসান (২৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মোসলেম সরদারের ছেলে।

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, অমিত অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিলেন। এতে তিনি ঋণের বোঝায় জড়িয়ে পড়েন এবং পরবর্তীতে মাদকাসক্ত হয়ে ওঠেন। এসব কারণেই তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ গ্রামের একটি মোবাইল টাওয়ারের পাশে মেহেদী হাসান (৩০) নামে এক যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন জানান, ঘটনাস্থলের আলামত দেখে প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। দুর্বৃত্তরা অন্য কোথাও হত্যা করে মরদেহ টেনে-হিঁচড়ে ডোবার পাশে ফেলে রেখে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহত মেহেদী হাসান উপজেলার কয়লা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে এবং পেশায় একজন মধু ব্যবসায়ী। এ চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।

এদিকে আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের বেউলা লম্বাডাঙ্গা খাল থেকে আব্দুর রহিম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার শ্বেতপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং ফরিদ উদ্দীনের ছেলে।

আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম আহমেদ খান জানান, আব্দুর রহিম প্রায় ১৪ বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। এ কারণে অধিকাংশ সময় তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। তবে শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তিনি ভোরে নামাজ আদায়ের জন্য বাড়ি থেকে বের হতেন। শুক্রবার ভোরেও তিনি নামাজ পড়তে বের হন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বেউলা লম্বাডাঙ্গা খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ