• আজ- শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
আশাশুনির মহেশ্বরকাটি মৎস্য সেটে ব্যবসায়ীর টাকা লোপাট দেবহাটা ও আশাশুনির শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন সাতক্ষীরার জাহানাবাজে ঘোড়দৌড় দেখতে গিয়ে মোটরসাইকেল চুরি কালিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা দাবি ট্রান্সফরমার চুরির ১৫ মাস পরও বিদ্যুৎহীন স্কুল দাবদাহে কষ্টে শিক্ষার্থীরা: জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ, উদ্বোধনী ম্যাচে লড়বে মেক্সিকো-দ. আফ্রিকা ওমান উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, মার্কিন কূটনীতিককে তলব ভারতের হরমুজে দুই জাহাজে ইরানের হামলা সুন্দরবনের উপকূলে নদীপথে বিএসএফ’র পুশইন চেষ্টা: রুখে দিল বিজিবি

সাতক্ষীরায় যুবতীকে ভারতের পতিতালয়ে বিক্রি: আদালতে মামলা

রিপোর্টার: / ৪৫৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবতীকে ভারতের পতিতালয়ে বিক্রির অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে।

মামলা সূত্র ও সদর উপজেলার তালতলা এলাকার মৃত সোনা গাজীর স্ত্রী মামলার বাদী জোহরা খাতুন জানায়, ভারতে পাচার হওয়া রোজিনা খাতুনের বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে সে তার মায়ের কাছেই থাকতো। দরিদ্র হওয়ায় রোজিনা খাতুন অন্যের বাড়িতে ঝি-এর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতো।
একপর্যায়ে মামলার আসামী আশাশুনি উপজেলার হাড়িভাঙ্গা গ্রামের বদর গাজীর ছেলে নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলার ফিরোজ গাজীর ছেলে ফারুক হোসেন (৪০), শ্যামনগর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মৃত. জহুর সরদারের ছেলে জিয়াদ সরদার (৪৫) ও শ্রীফলকাটি গ্রামের মৃত. রাজ্জাক গাইনের ছেলে আব্দুর রব গাইন (৪৫) এর সাথে মামলার বাদী জোহরা খাতুনের পরিচয় হয়। পরিচয় সূত্রে তারা তার মেয়ে রোজিনা খাতুনকে ঢাকায় ভাল চাকুরীর প্রলোভন দেখায়। সেই মোতাবেক তারা রোজিনা খাতুনকে ঢাকার গার্মেন্টেসে চাকুরী দেওয়ার নামে ভারতে পাচার করে একটি পতিতালয়ে বিক্রি করে দেয়।
পরে মামলার বাদী জোহরা খাতুন তার মেয়ের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে সে চাকুরীতে ব্যস্ত আছে এখন যোগাযোগ করা সম্ভব না বলে তালবাহানা করতে থাকে। এভাবে ৬/৭মাস অতিবাহিত হওয়ার পর খোঁজ নিয়ে জানতে পারে তার মেয়েকে ভারতের একটি পতিতালয়ে বিক্রি করা হয়েছে। পরবর্তীতে অনেক চেষ্টা করেও তার মেয়েকে আর ফেরত আনা সম্ভব না জানতে পেরে মানব পাচার অপরাধ ট্রাইবুনাল সাতক্ষীরা আদালতে একটি মামলা করে। যার মামলা নং- ৩২৯/২৫। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে এজাহার হিেেসব সাতক্ষীরা থানার কর্মকর্তাকে তদন্ত করে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

এব্যাপারে সাতক্ষীরা কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পিংকু মন্ডল জানান, মামলাটি এখনও তদন্ত চলছে। তদন্তে প্রকৃত সত্য যা হবে সেভাবেই আদালতে রিপোর্ট প্রদান করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ