
নিজস্ব প্রতিনিধি: গত ১৯ সেপ্টেম্বর দৈনিক অপরাধ বার্তার অনলাইন নিউজ পোর্টালে “সদরের থানাঘাটায় বাল্য বিবাহের অভিযোগ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিক্ষক আফজাল হোসেনকে বহিস্কার করেছেন। এরপর থেকে শিক্ষক আফজাল হোসেনের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। সাংবাদিকরা কিভাবে তার বার্য বিবাহের তথ্য পেল ও কে দিল এই খোঁজে সে পাগল হয়ে গেছে।
তিনি সাতক্ষীরা সদরের থানাঘাটা এলাকার মনিরুল ইসলামের ছেলে।
জানা গেছে, সংবাদ প্রকাশের পর সাতক্ষীরা সদরের থানাঘাটা শাহ মিয়া সাহেব দর্গা মাদ্রাসার কমিটি গত ২২ সেপ্টেম্বর এক জরুরি সভা আহবান করেন। সভায় তারা জানতে পারেন শিক্ষক আফজাল হোসেন পূর্বে কলারোয়ায় মৌখিক কবুলের মাধ্যমে একটি বাল্য বিবাহ করেন। কিছুদিন যেতে না যেতেই মৌখিক ভাবে তালাকও দেন। পরবর্তীতে সদরের থানাঘাটা শাহ মিয়া সাহেব দর্গা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করাকালীন সময় একই এলাকায় ১৪বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রীর মায়ের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ০১ সেপ্টেম্বর ওই লম্পট শিক্ষক আফজাল হোসেন মাদ্রাসা পড়ুয়া মেয়েকে একইভাবে মৌখিকভাবে কবুলের মাধ্যমে বিবাহ করেন। কিন্তু এলাকায় ওই বিবাহের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে দৈনিক অপরাধ বার্তার অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি মাদ্রাসা কমিটির নজরে পড়লে মাদ্রাসার সাধারন সম্পাদক টুটুল ওই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মাতার কাছে জানতে বিয়ের বিষয়টি জানতে চায়। এঘটনার পর শিক্ষক আফজাল হোসেন মাদ্রাসার সাধারন সম্পাদককে ফোনে বিয়ের কথা স্বীকার করে ও কেন তার শাশুড়ির কাছে জানতে গেছে বলে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করে।
পরবর্তীতে মাদ্রাসা কমিটি সভার মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে শিক্ষক আফজাল হোসেনকে বহিস্কার করেন।
এদিকে ওই শিক্ষক আফজাল হোসেন বহিস্কারের পর সাতক্ষীরা শহরের মার্কাস মসজিদে যোগদান করেছেন বলে একটি গোপন সূত্র জানিয়েছেন।
এব্যাপারে থানাঘাটা শাহ মিয়া সাহেব দর্গা মাদ্রাসা কমিটির সাধারন সম্পাদক টুটুল এ প্রতিনিধিকে জানায়, শিক্ষক আফজাল হোসেনকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাকে মাদ্রাসা থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।