• আজ- শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আইনজীবীর বাগ্‌বিতণ্ডা, ভিডিও ভাইরাল সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর

কলারোয়ায় গ্রাহকের দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট: গ্রাহকদের মানববন্ধন

রিপোর্টার: / ২১৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে গ্রাহকের প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হওয়া আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিঃ নামের প্রতিষ্ঠনের স্বাত্বাধিকারী ওমর ফারুক সবুজসহ জড়িত সকল কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার এবং টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টায় কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এ দাবী জানান ভুক্তভোগী শতাধিক গ্রাহকরা।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগী গ্রাহকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, অবসর প্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক, জাহানারা খাতুন, আব্দুস সাত্তার, সাবিনা খাতুন প্রমুখ।

গ্রাহকরা জানান, বেশি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে কলারোয়া উপজেলা ১৩৬ জন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় দুই কোটি ২৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে গ্রাহকদের একটি টাকাও ফেরত না দিয়ে চম্পট দেয় প্রতিষ্ঠানটি। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে ছোটাছুটি করেও কোন টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ভুক্তভোগী জাহানারা খাতুন বলেন, মেয়ের বিয়ের জন্য তীল তীল করে ৪ লক্ষ টাকা জমিয়েছিলাম। সে সময় প্রতারক ওমর ফারুক সবুজসহ তার অন্যান্য কর্মকর্তাদের প্রলোভনে পড়ে সমুদয় টাকা আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট নামের প্রতিষ্ঠানে জমা রেখেছিলাম। কিন্তু ওই প্রতারক তার প্রতিষ্ঠানের রাখা টাকা দীর্ঘদিনেও ফেরত দেয়নি।

হোটেলের কর্মচারী বিধবা সাবিনা খাতুন বলেন, হোটেল শ্রমিকের কাজ করে জমানো ৬৩ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে ওই প্রতারক প্রতিষ্ঠান। আমি পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছি। অসুস্থ্য হওয়ার পরেও ঔষধ কিনে খেতে পারি না। আমি আমার টাকা ফেরত চাই। সাথে সাথে ওই প্রতারকদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ওমর ফামক সবুজের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ওই টাকা হেড অফিসে জমা হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি চালু আছে না, বন্ধ হয়ে গেছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জমি ক্রয় করতে গিয়ে বন্ধ করে দিয়েছি। তবে এটার দায় স্থানীয় কর্মচারী আবু সাঈদ সবুজের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ