• আজ- শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
আশাশুনির মহেশ্বরকাটি মৎস্য সেটে ব্যবসায়ীর টাকা লোপাট দেবহাটা ও আশাশুনির শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন সাতক্ষীরার জাহানাবাজে ঘোড়দৌড় দেখতে গিয়ে মোটরসাইকেল চুরি কালিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা দাবি ট্রান্সফরমার চুরির ১৫ মাস পরও বিদ্যুৎহীন স্কুল দাবদাহে কষ্টে শিক্ষার্থীরা: জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ, উদ্বোধনী ম্যাচে লড়বে মেক্সিকো-দ. আফ্রিকা ওমান উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, মার্কিন কূটনীতিককে তলব ভারতের হরমুজে দুই জাহাজে ইরানের হামলা সুন্দরবনের উপকূলে নদীপথে বিএসএফ’র পুশইন চেষ্টা: রুখে দিল বিজিবি

টগবগে রাজনীতিতে তিন প্রার্থীর লড়াইয়ে সবার চোখ তালা-কলারোয়ায়

রিপোর্টার: / ৩৭০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫

শাহিন বিশ্বাস, পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছেন বিএনপির দুইজন ও জামায়াতে ইসলামের একজন প্রার্থী।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এখনো নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা না করলেও সরকার একটি নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে। সেই রোডম্যাপ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এমনটাই মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে তালা-কলারোয়া ঘুরে জানা গেছে, বিএনপির দুইজন প্রার্থী মনোনয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এর মধ্যে একজন হলেন- সাবেক ডাকসু নেতা, তালা-কলারোয়ার সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

অন্যজন হলেন- তালার কৃতি সন্তান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এবং বিএনপির আইনজীবী ফোরামের সাবেক সহ-সভাপতি ড. এম এম ওয়াছেল উদ্দিন বাবু।

দু’জনই নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন এবং এলাকায় জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ ইতোমধ্যে তালা-কলারোয়া এলাকায় ব্যাপক জনসংযোগ ও সভা-সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে জামায়াতের অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ একক প্রার্থী হিসেবেই মাঠে কাজ করছেন।

তালা-কলারোয়া আসনের রাজনৈতিক ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাবিবুল ইসলাম হাবিব এমপি নির্বাচিত হলেও মাত্র দুই মাস পর সংসদ ভেঙে যায়।

পরবর্তীতে ২০০১ সালে তিনি পুনরায় বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং তার মেয়াদ শেষ হয় ২০০৬ সালের ৩০ অক্টোবর।

এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে।

সেই সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দুই প্রধান রাজনৈতিক নেত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে ক্ষমতায় বসে। সবশেষে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার বিদায় নেয়।

এরপর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নতুন নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করে।

এরই মধ্যে সাতক্ষীরা-১ আসনে তিনজন প্রার্থী মাঠে নেমে সভা-সমাবেশ ও দ্বারে দ্বারে ভোট চাওয়া শুরু করেছেন।

তবে ভোটাররা বলছেন, তারা এমন একজন সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে দেখতে চান, যিনি প্রকৃত অর্থে সাধারণ মানুষের উপকারে আসবেন।

অনেকেই মন্তব্য করেছেন, “আমরা এমন প্রার্থী চাই, যিনি খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়াবেন।”

তবে সবকিছু মিলিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়ে এখনো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে।

কারণ দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

সবশেষে বলা যায়, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে কি না তা নির্ভর করছে রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্ত ও ঐকমত্যের উপর।

 

 

 

 

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ