• আজ- শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আইনজীবীর বাগ্‌বিতণ্ডা, ভিডিও ভাইরাল সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর

সাতক্ষীরার চাঁদপুরে সরকারি রাস্তার গাছ কাটার সময় এসিল্যান্ডের হানা

রিপোর্টার: / ৯৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

জি এম আমিনুল হক: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের ভালুকা চাঁদপুর গ্রামে সরকারি রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা মৃত আশরাফুজ্জামান আশুর পুত্র মো: মহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১১ মে) সকালে চাঁদপুর দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন সরকারি রাস্তার পাশ থেকে কয়েকটি গাছ কেটে বিক্রির চেষ্টা করে। অভিযুক্ত মুহিদুল ইসলাম গাছগুলো স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করেন। পরে ব্যবসায়ীরা গাছ কাটতে গেলে সচেতন এলাকাবাসী বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আনেন।

অভিযোগের পর জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দত্তের নির্দেশনায় সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ বদরুদ্দোজা ধুলিহর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোস্তফা মনিরুজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের উপস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি গাছ কাটা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ভূমি কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। ধুলিহর নায়েবকে জমি পরিমাপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিমাপ শেষে গাছগুলো ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে থাকলে মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হবে, আর সরকারি রাস্তার অন্তর্ভুক্ত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ধুলিহর ভূমি কর্মকর্তা মোস্তফা মনিরুজ্জামান বলেন, এসিল্যান্ড স্যারের নির্দেশনায় আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এবং জমি পরিমাপের বিষয়টি জানানো হয়েছে। আপাতত গাছগুলো ঘটনাস্থলেই রাখা আছে।

এদিকে অভিযুক্ত মো: মুহিদুল ইসলাম দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। তবে নায়েবের সঙ্গে তার কথা হয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে গাছগুলো সরানো হয়নি। একই সঙ্গে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি অশালীন ভাষায় মন্তব্য করেন বলে স্থানীয়রা জানান।

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ